মুম্বইয়ে রাজনৈতিক বিক্ষোভে জড়িয়ে আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে অভিনেতা ইমরান খান, শেষমেশ চাইলেন নিঃশর্ত ক্ষমা!

বিদেশি নাগরিকত্ব ও OCI কার্ড ধারণ সত্ত্বেও ভারতে একটি রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অপরাধে অভিনেতা ইমরান খানকে কড়া প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালো বম্বে হাইকোর্ট। আমেরিকার মাটিতে কোনও ভারতীয় নাগরিক একই কাজ করলে পরিস্থিতি কী হতো— সেই প্রশ্ন তুলে বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, OCI কার্ডধারী হলেও তিনি ভারতীয় নাগরিকদের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন না। সেই সঙ্গে ছোটবেলা থেকে ভারতে বসবাস করা সত্ত্বেও কেন তিনি এ দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আদালতে লিখিত নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে আর কখনও কোনও রাজনৈতিক বিক্ষোভে অংশ না নেওয়ার আশ্বস্তবাণী দিয়েছেন এই অভিনেতা।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর মুম্বইয়ের অগাস্ট ক্রান্তি ময়দানে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আয়োজিত একটি বিক্ষোভে উপস্থিত থাকার অভিযোগে ইমরান খানকে আটক করেছিল পুলিশ। এরপরই বিদেশিদের আঞ্চলিক নিবন্ধন দফতর (FRRO) তাঁকে ভারত ছাড়ার নোটিশ (Leave India Notice) পাঠায়। সরকারের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ইমরান খান। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করা এবং ওসিআই কার্ড থাকার পর অপরাধমূলক কাজে যুক্ত না থেকেও এমন নির্দেশ অন্যায্য। আপাতত সেই মামলার শুনানি চলাকালীন আদালত তাঁকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশের উপরই নির্ভর করছে তাঁর ভারতে থাকার ভবিষ্যৎ।