স্ত্রীর দেহ কেটে টুকরো টুকরো! আদালতে হাড়হিম করা স্বীকারোক্তি নরেশের

স্ত্রীর দেহ কেটে টুকরো টুকরো! আদালতে হাড়হিম করা স্বীকারোক্তি নরেশের

 

স্ত্রীকে হত্যার পর দেহ টুকরো করার কথা আদালতে স্বীকার করলেন স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৮ বছর বয়সী মমতা কাফলে ভাটের রহস্যজনক মৃত্যু ও দেহ লোপাটের মামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। মামলার অভিযুক্ত স্বামী নরেশ আদালতে জানিয়েছেন, তিনি স্ত্রীকে হত্যা করেননি, তবে মৃত্যুর পর দেহ করাত দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করার কথা স্বীকার করেছেন।

ঘটনাটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসের। দীর্ঘ দুই বছর পেরিয়ে গেলেও মমতার দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই মামলায় নরেশের বিরুদ্ধে খুন ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। বিচার চলাকালীন অভিযুক্ত দাবি করেন, ঘটনার রাতে তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন, শয্যার পাশে বমির মধ্যে মমতার নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। তাঁর দাবি, মমতা বিষাক্ত কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

নরেশের জবানবন্দি অনুযায়ী, স্ত্রীর মৃত্যু দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপরই তিনি দেহটি লোপাটের সিদ্ধান্ত নেন। বাড়ির বাথরুমে করাত দিয়ে মমতার দেহ টুকরো টুকরো করে একাধিক জঞ্জালের ব্যাগে ভরে ডাস্টবিনে ফেলে দেন তিনি, যাতে কোনোভাবেই দেহ শনাক্ত না হয়।

এদিকে, আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খুনের দায় থেকে নিজেকে বাঁচাতে এবং লঘু শাস্তির আশায় অভিযুক্ত স্বামী এমন কৌশলী বয়ান দিচ্ছেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *