এক বছরে ২০০ কোটির হ্যাটট্রিক! বক্স অফিসে আলিয়া-দীপিকা-মমিতার ইতিহাস

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এতদিন বক্স অফিসের দাপট মূলত পুরুষ সুপারস্টারদের দখলে থাকলেও, এবার সেই সমীকরণ বদলে দিচ্ছেন অভিনেত্রীরা। পুরুষ তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একা হাতেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানছেন তাঁরা। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্টে সামনে এসেছে এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড—একই বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত পরপর তিনটি ছবি দিয়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করার অনবদ্য হ্যাটট্রিক! ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এই বিরল কীর্তি গড়েছেন মাত্র তিনজন অভিনেত্রী: দীপিকা পাডুকোন, আলিয়া ভাট এবং দক্ষিণী সিনেমার উদীয়মান তারকা মমিতা বাইজু।
দীপিকা পাডুকোন (২০১৩): এই ঐতিহাসিক যাত্রার সূচনা করেছিলেন দীপিকা পাডুকোন। ২০১৩ সালে তাঁর টানা তিনটি ছবি বক্স অফিসে ঝড় তোলে। ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ (৩২০ কোটি), ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ (৪২৫ কোটি) এবং ‘গোলিওঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ (২০২ কোটি)—তিনটি ছবিই ২০০ কোটির গণ্ডি পার করে সুপারহিট তকমা পায়।
আলিয়া ভাট (২০২২): দীপিকার এক দশক পর ২০২২ সালে একই রেকর্ড পুনরাবৃত্তি করেন আলিয়া ভাট। তাঁর অভিনীত ‘গাঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’ ২০০ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করে, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ সংগ্রহ করে ৪৫০ কোটি টাকা এবং বিশ্বজুড়ে সাফল্য পাওয়া ‘আরআরআর’ (RRR) ১০০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখায়।
মমিতা বাইজু: বলিউডের দুই বর্ষীয়ান তারকার পাশে নিজের নাম বসিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মমিতা বাইজু। সম্প্রতি তাঁর তিনটি ছবি প্রেক্ষাগৃহে তুমুল বাণিজ্য করেছে—’বিকেইউ’ (২৭২ কোটি), ‘বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স’ (২০২ কোটি) এবং থালাপতি বিজয়ের সাথে ‘জানা নেতা’ (৩৩০ কোটি)।
দক্ষিণ ও বলিউডের এই তিন সুন্দরীর বক্স অফিস ম্যাজিকে এখন নতুন রূপ পাচ্ছে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্প।