পুরুলিয়ায় পদ্ম শিবিরের মেগা প্রচার, জনসভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ
ভোটমুখী বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। হাতে মাত্র দুই সপ্তাহ সময় থাকায় প্রচারে কোনো খামতি রাখতে চাইছে না গেরুয়া শিবির। আগামী ২৩ এপ্রিল পুরুলিয়া জেলায় প্রথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে এবার ময়দানে নামছেন খোদ দলের দুই শীর্ষ নেতা। আগামী ১১ এপ্রিল পুরুলিয়ার বাগমুন্ডিতে জনসভা করতে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি প্রার্থী রোহিদাস মাহাতোর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় রেকর্ড জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের ঠিক কয়েকদিন পরেই, আগামী ১৯ এপ্রিল ফের পুরুলিয়ায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই দুই হাইভোল্টেজ জনসভাকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে সাংগঠনিক তৎপরতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে পদ্ম শিবির। দুই মেগা ইভেন্টে লোক সমাগমের লক্ষ্যপূরণে কোমর বেঁধে নেমেছেন স্থানীয় নেতৃত্ব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সফর জেলার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী বিজেপি নেতৃত্ব।
ইতিমধ্যেই প্রস্তুতির তদারকি শুরু করেছেন পুরুলিয়ার সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং জেলা সভাপতি শংকর মাহাতো। ১১ এপ্রিল অমিত শাহের সভার জন্য বাগমুন্ডির কুশলডি ক্রিকেট ময়দানসহ একাধিক এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। সভার স্থান নির্বাচন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কর্মী-সমর্থকদের যাতায়াতের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছেন শীর্ষ কর্তারা। যদিও চূড়ান্ত সভাস্থল নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে, তবে বিপুল জনসমাগমের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির।
সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো জানিয়েছেন, এই দুই জনসভা ঘিরে সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মোদী-শাহের জনসভা ছাড়াও জেলায় আরও কয়েকটি বড় মাপের রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের আগে পুরুলিয়া জেলাকে নিজেদের অনুকূলে আনতে মরিয়া পদ্ম বাহিনী। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জনসভাগুলো নির্বাচনী প্রচারের গতিপথ বদলে দেবে।