ট্রেনের টয়লেটের পাশে কাটা হচ্ছে সবজি! ঝালমুড়ি বিক্রেতার কাণ্ড দেখে চক্ষু চড়কগাছ নেটিজেনদের

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেনের কামরার ভেতর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, চলন্ত ট্রেনের শৌচাগারের ঠিক পাশেই মেঝেতে বসে এক হকার সবজি কাটছেন এবং যাত্রীদের বিক্রয়যোগ্য ঝালমুড়ি বা ওই জাতীয় খাবার তৈরি করছেন। মেঝেতে একটি প্লাস্টিক বিছানো থাকলেও চারপাশের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত নোংরা এবং জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ। ইন্টারনেটে এই দৃশ্য সামনে আসার পর রেল পরিষেবা এবং খাদ্যের মান নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকি
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রেনের শৌচাগারের মতো সংবেদনশীল স্থানে খাবার তৈরি করা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। শৌচাগারের আশপাশে ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য রোগজীবাণুর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি থাকে, যা খুব সহজেই খোলা খাবারের সংস্পর্শে আসতে পারে। এই ধরনের নোংরা পরিবেশে তৈরি খাবার গ্রহণ করলে ফুড পয়জনিং, ডায়রিয়া, বমি এবং পেটের দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের মতো মারাত্মক অসুস্থতা ছড়িয়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ও সচেতনতা
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা ভারতীয় রেলওয়ের কঠোর সমালোচনা করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। মূলত লাইসেন্সবিহীন হকারদের দৌরাত্ম্যের কারণেই ট্রেনের ভেতরে এমন অস্বাস্থ্যকর খাদ্যের বিপণন অবাধে চলছে বলে মনে করা হচ্ছে। রেলের নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র অনুমোদিত ভেন্ডরদেরই খাবার বিক্রির অধিকার থাকলেও নজরদারির অভাবে এই নিয়ম প্রায়ই লঙ্ঘিত হচ্ছে। এই ঘটনা রেলের অভ্যন্তরীণ তদারকি ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আরও একবার জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে।
देखिए कितनी सफाई से यह काम कर रहा है।
— Priya singh (@priyarajputlive) April 14, 2026
अब चटपटा झालमुरी बेचेगा और लोग चाव से खाएंगे, खाने के नाम पर यह गंदगी परोस रहा है। pic.twitter.com/Qc5NlBNET7
এক ঝলকে
- ট্রেনের শৌচাগারের পাশে অস্বাস্থ্যকর মেঝেতে বসে হকারের খাবার তৈরির ভিডিও ভাইরাল।
- নোংরা পরিবেশে ঝালমুড়ি বা স্ন্যাকস জাতীয় খাবার তৈরি করায় সংক্রামক ব্যাধির ঝুঁকি বাড়ছে।
- রেলের খাদ্যের মান এবং অবৈধ হকারদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।
- যাত্রীদের কেবল অনুমোদিত ভেন্ডর বা প্যাকড খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।