‘মাছ চোর’ নয় ও তো খুনি! ভাঙড়ে শওকতকে নজিরবিহীন আক্রমণ নওশাদের

ভোট গণনার ঠিক আগের মুহূর্তে ভাঙড়ে ফের তুঙ্গে উঠল রাজনৈতিক তরজা। ‘মাছ চোর’ গানকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা ক্ষোভ উগরে দিতেই তাঁকে পালটা কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি। ভাঙড় এবং ক্যানিং এলাকার তৃণমূল নেতার ভাবমূর্তি নিয়ে নওশাদের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
বিস্ফোরক তোপ ও বিতর্কিত তকমা
নওশাদ সিদ্দিকি দাবি করেছেন যে, শওকত মোল্লাকে কেবল ‘মাছ চোর’ বলা আসলে তাঁর কৃতকর্মের তুলনায় খুবই নগণ্য। আইএসএফ প্রার্থীর কথায়, শওকত একজন ‘খুনি, বোমাবাজ এবং ডাকাত’ হিসেবেই ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের প্রতিটি মানুষের কাছে পরিচিত। ভাঙড়ের মাটিতে বারবার যে অশান্তি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে, তার জন্য শওকত মোল্লাকেই সরাসরি দায়ী করেছেন নওশাদ। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ‘গুন্ডা’ হিসেবেই সমধিক পরিচিত বলে দাবি করে নওশাদ প্রশ্ন তুলেছেন, তাঁকে কেন কেবল মাছ চোর বলা হবে।
সংঘাতের কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও আইএসএফ-এর মধ্যে চরম সংঘাত চলছে। গণনার আগে বিপক্ষ প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করতেই এই আক্রমণাত্মক কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই ধরণের তীব্র ও ব্যক্তিগত স্তরের বাদানুবাদ গণনার দিন ভাঙড় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়াতে পারে। দুই দলের উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বড়সড় সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া হয়েছে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।