মুম্বাই স্কুলে ৬ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি, পিয়ন গ্রেপ্তার

মুম্বাইয়ের গোভান্ডি এলাকার একটি নামী বেসরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে এক ৪৫ বছর বয়সী স্কুল পিয়নকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
- ঘটনা গত কয়েকদিন আগে স্কুলের মধ্যেই ওই ছয় বছরের খুদেকে যৌন হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ।
- অভিযুক্ত ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি স্কুলের অশিক্ষক কর্মী অর্থাৎ পিয়ন হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- আইনি পদক্ষেপ পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা আইন বা পকসো (POCSO) আইনের অধীনে মামলা রুজু করেছে।
- তদন্ত স্কুল চত্বরের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ক্ষুব্ধ অভিভাবক মহল
এই খবর জানাজানি হতেই স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, স্কুলের অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগের আগে কেন পুলিশ ভেরিফিকেশন বা চারিত্রিক পরীক্ষা করা হয়নি? স্কুল প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফাঁকফোকর নিয়েই সরব হয়েছেন তাঁরা।
শহরে নারী নিগ্রহের আরও এক ঘটনা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রেও নারী সুরক্ষার অভাব প্রকট হয়েছে মুম্বাইয়ে। গত ২৬ এপ্রিল এক ১৯ বছর বয়সী প্রাক্তন সহকর্মীকে উত্যক্ত করার অভিযোগে ২৪ বছর বয়সী আশরাফ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- হয়রানির ধরন অফিস ছাড়ার পর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে তরুণীর নম্বর সংগ্রহ করে তাঁকে কুরুচিকর বার্তা ও অশ্লীল ভিডিও পাঠাত ওই যুবক।
- চাপ সৃষ্টির অভিযোগ তরুণীর দাবি, অভিযুক্ত যুবক তাঁকে জোরপূর্বক এক আন্তঃধর্মীয় সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করার চেষ্টা করত এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করত।
মুম্বাইয়ে একের পর এক এই ধরনের ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে স্কুলে শিশুদের সুরক্ষায় অবিলম্বে আরও কঠোর ‘গাইডলাইন’ কার্যকর করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
প্রতিবেদক— বর্তমান ঠাকুর।