নন্দীগ্রামের ‘জয়ী’ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী— শুভেন্দুর লড়াইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এই ১০টি গোপন কথা

বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ১৯৭০ সালে কাঁথির এক রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া শুভেন্দুর হাতেখড়ি হয়েছিল ছাত্র রাজনীতিতে। ১৯৯৫ সালে কাঁথি পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে সংসদীয় রাজনীতির সফর শুরু করার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আনতে যেমন সাহায্য করেছিল, তেমনই তাঁর নিজের রাজনৈতিক ভিতকেও মজবুত করেছিল।
সংগঠক থেকে শাসকদলের প্রধান
দীর্ঘদিন তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক ও মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার পর ২০২০ সালে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রামে হারিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন। পরবর্তীতে ভবানীপুরেও সাফল্যের ধারা বজায় রেখে তিনি বিজেপির প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন। সারদা বা নারদার মতো বিতর্ক তাঁর সঙ্গী হলেও, নিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জনসমর্থন আদায়ে সফল হন তিনি।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি মোদী সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণের অঙ্গীকার করেছেন। নতুন সরকারকে তিনি ‘আমাদের সরকার’ হিসেবে অভিহিত করে রাজ্যবাসীর উন্নয়নে মনোনিবেশ করার বার্তা দিয়েছেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
এক ঝলকে
- ছাত্র রাজনীতি ও কাউন্সিলর থেকে শুরু করে আজ পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী।
- নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রধান কারিগর এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে পরাজিত করার কৃতিত্ব।
- তৃণমূলের প্রাক্তন হেভিওয়েট মন্ত্রী ও সফল সংগঠক থেকে বিজেপির প্রথম সারির নেতা।
- কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো রাজ্যে কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ।