বিদেশে রাজ ও শুভশ্রীর রোমান্টিক ডিনারেও ধেয়ে এল ‘সাদা চটি’ কটাক্ষ!

বিদেশে রাজ ও শুভশ্রীর রোমান্টিক ডিনারেও ধেয়ে এল ‘সাদা চটি’ কটাক্ষ!

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর কেন্দ্রে হারের ক্ষত আর রাজনৈতিক তিক্ততা ভুলে আপাতত থাইল্যান্ডে একান্তে সময় কাটাচ্ছেন টলিউডের ‘পাওয়ার কাপল’ রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। বিয়ের আট বছর পূর্তি উপলক্ষে সমুদ্রসৈকতে রোমান্টিক ডিনার ডেটের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। রাজের পায়ে থাকা সাদা চটি দেখে নেটিজেনদের একাংশ তৃণমূল নেত্রীর প্রসঙ্গ টেনে বিদ্রুপ করতে ছাড়েননি। কেউ লিখেছেন, ‘দিদির চটিটা দিয়ে দিন’, আবার কেউ পরিচালকের হারের পর তাঁর গায়ে কাদা ছোড়ার ঘটনার ইঙ্গিত দিয়ে কুৎসিত মন্তব্য করেছেন।

রাজনীতি বিমুখ রাজের পিছু ছাড়ছে না ট্রোল

এবারের নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর কাছে পরাজিত হওয়ার পর ভোটগণনা কেন্দ্রেই রাজ চক্রবর্তীকে চরম হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল। ‘চোর’ স্লোগান থেকে শুরু করে তাঁর গায়ে কাদা ছোড়ার মতো ঘটনাও ঘটে। সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই রাজ রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতি তাঁর জন্য নয় এবং এখন থেকে তিনি কেবল চলচ্চিত্র পরিচালনাতেই মনোনিবেশ করবেন। এমনকি রাজ্যে আসা নতুন বিজেপি সরকারকেও তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে বিদেশে গিয়েও সেই রাজনৈতিক রেশ এবং ‘সাদা চটি’ সংক্রান্ত বিদ্রুপ পিছু ছাড়েনি তাঁর।

কটাক্ষের মুখেও নীরব তারকা দম্পতি

থাইল্যান্ডের সি-বিচে নীল রঙের গাউনে শুভশ্রী এবং কালো শার্ট-শর্টসে রাজের সাবলীল উপস্থিতি নেটিজেনদের একাংশের কাছে অসহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুভশ্রীর পোস্ট করা ছবির নিচে জমা হওয়া অসংখ্য নেতিবাচক মন্তব্যের কোনো পাল্টা জবাব দেননি এই দম্পতি। রাজ ও শুভশ্রী দুজনেই আপাতত সামাজিক মাধ্যমের এই আক্রমণ উপেক্ষা করে নিজেদের মতো করে সময় কাটাচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের রাজনৈতিক পক্ষ বেছে নেওয়া এবং পরবর্তীকালে সেই দলের হারের পর তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকেও বারবার রাজনীতির চশমায় বিচার করার এই প্রবণতা সামাজিক মাধ্যমে এখন এক সাধারণ চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *