“তদন্তকারী অফিসার সীমাকে অভিযুক্ত করা হোক!” আরজি করের সিল করা ঘরের সামনে সোচ্চার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
.jpeg.webp?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দিকেই সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুললেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে আচমকাই চিকিৎসকদের পোশাক পরে আরজি কর হাসপাতালে হাজির হন তিনি। সিবিআইয়ের সিল করা একটি ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে মামলার মূল তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজাকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং তাঁকে সরাসরি অভিযুক্ত হিসেবে কাঠগড়ায় তোলার দাবি জানান।
তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
প্রাক্তন বিচারপতির মূল অভিযোগ, তদন্ত সঠিক দিশায় পরিচালিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। যে বন্ধ ঘর থেকে নির্যাতিতার দেহ উদ্ধার হয়েছিল, তার সামনে দাঁড়িয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দাবি করেন, ওই ঘরের ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ বহু তথ্যপ্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সিবিআই তা খতিয়ে দেখেনি। এমনকি, ঘটনার পর এক নার্সের তোলা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও সীমা পাহুজা নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন। তাঁর স্পষ্ট দাবি, সিবিআইয়ের এই সমস্ত গাফিলতি সীমার অঙ্গুলিহেলনেই হয়েছে এবং তিনি কার্যত প্রমাণ লোপাটের সাহায্য করেছেন।
তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের ফলে আরজি কর মামলার আইনি মোড় ও সিবিআইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এর আগে নির্যাতিতার পরিবারও এই তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল। আদালত চত্বরে সীমাকে লক্ষ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন নির্যাতিতার বাবাও। এবার একজন প্রাক্তন হাই কোর্টের বিচারপতির মুখে এই একই অভিযোগ আসায় আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া নতুন করে আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এলো।
এক ঝলকে
- আরজি কর হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিট করে সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
- তদন্তে গাফিলতি এবং গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সহায়তার অভিযোগে সীমাকে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত করার দাবি তুলেছেন তিনি।
- ঘটনাস্থলের একটি সিঁড়ি এবং সিল করা ঘরকে সিবিআই সঠিকভাবে তদন্তের আওতায় আনেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
- সিবিআইয়ের সামগ্রিক কাজের প্রশংসা করলেও নির্দিষ্ট অফিসারের কারণে মূল মামলার ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি প্রাক্তন বিচারপতির।