শান্তিকুঞ্জে ‘জনতার দরবার’! সাতসকালেই শুভেন্দুর বাড়ির সামনে উপচে পড়া ভিড়

শান্তিকুঞ্জে ‘জনতার দরবার’! সাতসকালেই শুভেন্দুর বাড়ির সামনে উপচে পড়া ভিড়

ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নন্দীগ্রাম আসন ছাড়লেও সেখানকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বজায় রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সপ্তাহের শেষেই পূর্ব মেদিনীপুরে পৌঁছে তিনি যেমন একদিকে প্রশাসনিক ও দলীয় বৈঠক সেরেছেন, তেমনই রবিবার সকাল থেকেই কাঁথির শান্তিকুঞ্জে তাঁর বাসভবনে ভিড় জমিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা। কেউ এসেছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে, আবার কেউ এসেছেন নিজেদের অভাব-অভিযোগ ও ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধান খুঁজতে। মুখ্যমন্ত্রীকে কাছ থেকে পেয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন উপস্থিত জনতা।

জনসংযোগ ও প্রশাসনিক তৎপরতা

মূলত সপ্তাহের শেষে নন্দীগ্রামে গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, স্থানীয় সাংসদ ও বিধায়কদের সাথে দীর্ঘ দুই ঘণ্টার একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। এরপর রেয়াপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গেও সাংগঠনিক আলোচনা সারেন। এই তৎপরতা স্পষ্ট করে দেয় যে, আসন ছাড়লেও নন্দীগ্রাম তথা সমগ্র পূর্ব মেদিনীপুরের উন্নয়নকে তিনি বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

আগামী দিনে জনতার দরবার

রাজ্যের সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য খুব শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচি চালু করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তাঁর কাঁথির বাসভবনে আগে থেকেই সাধারণ মানুষের সাথে দেখা করার এই স্বতঃস্ফূর্ত ব্যবস্থা থাকায় সকাল থেকেই সেখানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রবিবার বিকেলেই তাঁর কলকাতায় ফেরার কথা রয়েছে, কারণ সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।

এক ঝলকে

  • ভবানীপুরের বিধায়ক পদে শপথ নিয়ে নন্দীগ্রাম আসন ছাড়লেও এলাকার মানুষের অভাব টের পেতে না দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • রবিবার সকালে কাঁথির বাসভবন শান্তিকুঞ্জে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করতে শুভেচ্ছা ও নানান দাবি নিয়ে ভিড় জমান বিপুল সংখ্যক আমজনতা ও দলীয় কর্মী।
  • শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে জেলাশাসক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে দুই ঘণ্টার দীর্ঘ প্রশাসনিক বৈঠক এবং পরে দলীয় নেতৃত্বের সাথে সাংগঠনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনতে দ্রুতই রাজ্যে আনুষ্ঠানিক ‘জনতার দরবার’ চালু হতে চলেছে এবং সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *