বাংলার সরকারি কর্মীদের DA বৃদ্ধি নিয়ে খবর

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) বৃদ্ধি নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্তের জল্পনা তৈরি হয়েছে। আজ, সোমবার নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে আয়োজিত এই প্রশাসনিক বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ও নতুন ডিএ প্রদানের বিষয়টি। লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের এই নতুন মন্ত্রিসভা সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভ প্রশমনে কোনো বড় পদক্ষেপ করে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।
১২ শতাংশ বৃদ্ধির আর্জি শিক্ষক ও কর্মচারী সংগঠনের
মন্ত্রিসভার এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের প্রাক্কালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে একটি বিশেষ ইমেল পাঠিয়েছে ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন’। সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্তমান বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ একধাক্কায় অন্তত ১২ শতাংশ বৃদ্ধি করার দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যে হারে ডিএ দেওয়া হচ্ছে, তার সাথে এই ১২ শতাংশ যুক্ত করে মোট মহার্ঘ ভাতা ৩০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জোরালো আর্জি জানিয়েছে এই শিক্ষক ও কর্মচারী সংগঠনটি।
সিদ্ধান্তের কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ফারাক নিয়ে অসন্তোষ দানা বাঁধছিল। রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে লাগাতার আন্দোলনও চালিয়েছেন। নতুন সরকার গঠনের পর কর্মচারীদের এই দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটানো এবং তাঁদের কর্মস্পৃহা বাড়ানোই বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আজ মন্ত্রিসভায় যদি ডিএ বৃদ্ধির এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়, তবে তা রাজ্যের লক্ষাধিক শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় আর্থিক স্বস্তি এনে দেবে। তবে এর ফলে রাজ্য কোষাগারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ পড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এক ঝলকে
- আজ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
- বৈঠকের মূল এজেন্ডা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ বৃদ্ধি।
- ডিএ অন্তত ১২ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ৩০ শতাংশ করার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে ইমেল পাঠাল ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন’।
- এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হলে রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক উপকৃত হবেন।