ফিরলেন বিতর্কিত হার্দিক, মরণবাঁচন ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সাহসী সিদ্ধান্তে নাইটরা

আইপিএলের প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে বাকি দুটি ম্যাচেই জিততে হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। সমীকরণ যখন এতটাই স্পষ্ট ও কঠিন, ঠিক তখনই ইডেন গার্ডেন্সে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে নাইট শিবির। হাইভোল্টেজ এই মরণবাঁচন ম্যাচে টস ভাগ্য সহায় হয়েছে কলকাতার। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নাইট অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। তবে কেকেআরের জয়ের লক্ষ্যে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারেন মুম্বই শিবিরে প্রত্যাবর্তন করা অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ডিয়া।
বিতর্ক উড়িয়ে হার্দিকের হুঙ্কার
চলতি আইপিএলে মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও মাঠের বাইরের বিতর্ক বেশি তাড়া করে বেড়িয়েছে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। পিঠের চোটের কারণে বেশ কয়েকটি ম্যাচে তিনি দলের বাইরে থাকলেও, তাকে নিয়ে মুম্বই শিবিরের অন্দরে তৈরি হয়েছিল এক তীব্র মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব। দলের বাকিদের সাথে বনিবনা না হওয়া এবং একঘরে হয়ে পড়ার গুঞ্জনের মাঝেই বুধবার ইডেনে ফিরলেন তিনি। মাঠে নেমেই ‘আই অ্যাম ব্যাক’ বলে একপ্রকার হুঙ্কার দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার, যা কলকাতার বোলারদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। কারণ, ইডেনের ২২ গজে হার্দিকের পূর্বের রেকর্ড বেশ ঈর্ষণীয়।
ইনজুরি উপেক্ষা করে লড়াই ও মরণবাঁচন সমীকরণ
টসে জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাহানে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আগের ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে দলের লড়াকু মানসিকতাই তাদের আত্মবিশ্বাসের মূল চাবিকাঠি। তবে কলকাতার জন্য বড় চিন্তার কারণ বরুণ চক্রবর্তীর গোড়ালির চোট। দলের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নিজের চোট ও যন্ত্রণা উপেক্ষা করেই মাঠে নামছেন এই মিস্ট্রি স্পিনার, যা দলের বোলিং বিভাগকে স্বস্তি দেবে। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ঝড় তুলতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফিন অ্যালেনকে। এই ম্যাচের জয় কেকেআরকে প্লে-অফের দৌড়ে টিকিয়ে রাখবে, আর হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে নাইটদের।