বঞ্চনার অবসান! রাজ্যে এবার মোদীর ‘জাতীয় গোকুল মিশন’ চালু করছেন দিলীপ ঘোষ

অবশেষে বাংলায় রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন, খুলছে দুগ্ধ শিল্পের নতুন দিগন্ত!
পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন’। মঙ্গলবার রাজ্যের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বিভাগীয় উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং বিভিন্ন গোশালার মালিকদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প চালুর মাধ্যমে রাজ্যের দুগ্ধ উৎপাদন ও পশুপালন খাতে এক বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।
দেশীয় গোসম্পদ রক্ষা ও উন্নয়ন
২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার দেশীয় জাতের গোসম্পদ সুরক্ষা, বংশবৃদ্ধি এবং দুধ দেওয়া বন্ধ করা গোরুগুলোর যথাযথ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই মিশন চালু করেছিল। বর্তমান রাজ্য সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্বতন সরকারের আটকে রাখা কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো একে একে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় এই মিশন চালু করা হচ্ছে। মূলত উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দেশীয় গরুর প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি কাজ করবে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে রাজ্যে উন্নত মানের দেশীয় দুগ্ধজাত গরুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখবে। একদিকে যেমন দুধ দেওয়া বন্ধ হওয়া গোরুর পুনর্বাসন ও সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে, অন্যদিকে তেমনি দুগ্ধ চাষিদের আয় বাড়বে এবং রাজ্যে দুগ্ধ শিল্পের সামগ্রিক পরিকাঠামো আরও উন্নত হবে।
এক ঝলকে
- বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন’
- প্রাণিসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ আধিকারিক ও গোশালা মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেন
- দেশীয় গোসম্পদ সুরক্ষা ও দুধ দেওয়া বন্ধ হওয়া গোরুর সংরক্ষণে ২০১৪ সালে এই মিশন চালু করে কেন্দ্র
- প্রকল্পটির মাধ্যমে রাজ্যের দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে