মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ৬ তৃণমূল জনপ্রতিনিধি!

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ৬ তৃণমূল জনপ্রতিনিধি!

নদীয়ার কল্যাণীতে আয়োজিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মেগা প্রশাসনিক বৈঠকে দেখা গেল এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক সৌজন্যের ছবি। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে মুখ্যমন্ত্রীর এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিলেন বারাসাতের তৃণমূল (TMC) সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ শাসকদলের মোট ৬ জন জনপ্রতিনিধি। বৈঠক শেষে এই সমন্বয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একদিকে যেমন পূর্বতন সরকারকে হালকা খোঁচা দেন মুখ্যমন্ত্রী, তেমনই রাজ্যের উন্নয়নে সবাইকে নিয়ে চলার বার্তা দেন।

‘আমি ডাক পাইনি, কিন্তু সবাইকে নিয়ে চলব’
বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধীদের উপস্থিতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আমি যখন বিরোধী দলনেতা ছিলাম, তখন কখনও কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক বৈঠকে ডাক পাইনি। তাই আমি দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম থেকেই সবাইকে নিয়ে চলার কথা বলেছিলাম। আমরা কাজের স্বার্থে বিশেষ বিশেষ এলাকার সাংসদদের ডাকব। বারাসাতের এমপি-কে (কাকলি ঘোষ দস্তিদার) আমরা বিশেষ ভাবেই ডেকেছিলাম।”

রাজনীতি ভোটেই সীমাবদ্ধ থাক
প্রশাসনিক স্তরে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “আমরা চাই, কেন্দ্র-রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার এবং বিরোধীদের এই সমন্বয়ের সুবিধা যেন সরাসরি রাজ্যের সাধারণ মানুষ পান। রাজনৈতিক কচকচানি বা মতবিরোধ যেন কেবল ভোটের প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকে, উন্নয়নের কাজে নয়।” প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি এবং মুখ্যমন্ত্রীর সদর্থক বার্তা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এক অত্যন্ত ইতিবাচক অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ৬ বিরোধী জনপ্রতিনিধি।
  • পূর্বতন সরকারের আমলের অসহযোগিতার কথা মনে করিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি নিজে কখনও বৈঠকে ডাক না পেলেও সবাইকে নিয়ে চলতে দায়বদ্ধ।
  • রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কেন্দ্র-রাজ্য ডবল ইঞ্জিন সরকারের সঙ্গে বিরোধীদের এই সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভোটের মাঠেই সীমাবদ্ধ রেখে প্রশাসনিক কাজে দলমত নির্বিশেষে এক হয়ে লড়ার আহ্বান জানান শুভেন্দু অধিকারী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *