ডিএ বৈঠক পিছিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৩০ মে-র বদলে ১ জুন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে নবান্নে আলোচনা

ডিএ বৈঠক পিছিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৩০ মে-র বদলে ১ জুন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে নবান্নে আলোচনা

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) সংক্রান্ত বহুপ্রতীকিত বৈঠকটি নির্ধারিত সূচি মেনে হচ্ছে না। আগামী ৩০ মে, শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের যৌথ মঞ্চ ও প্রতিনিধি দলগুলির যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, তা অনিবার্য কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কর্মচারীদের খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না; নতুন সূচি অনুযায়ী আগামী ১ জুন নবান্নে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।

বৈঠক পিছানোর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা

চলতি সপ্তাহের ৩০ মে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সরকারি কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসার আশ্বাস দিয়েছিলেন, যা নিয়ে কর্মচারী মহলে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে বা কোন প্রশাসনিক ব্যস্ততার জেরে এই বৈঠকটি পিছিয়ে দেওয়া হলো, তা সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও খোলসা করা হয়নি। নবান্ন সূত্রে খবর, ১ জুন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান নিজেই এই আলোচনার তদারকি করবেন এবং সেখানেই ডিএ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা বড় কোনো ঘোষণা আসতে পারে।

আশায় বুক বাঁধছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা

রাজ্যে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন কর্মচারীরা। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম ডিএ নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর স্তরে কোনো বৈঠক হতে চলেছে। বৈঠক দু’দিন পিছিয়ে গেলেও ১ জুনের এই আলোচনার ওপরই এখন নজর রাখছেন লক্ষাধিক রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনাররা। তাঁদের আশা, ১ জুনের বৈঠকে রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে একটি ইতিবাচক রোডম্যাপ বা বড়সড় আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করবে।

এক ঝলকে

  • আগামী ৩০ মে (শনিবার) ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে।
  • বৈঠক পিছিয়ে আগামী ১ জুন নবান্নে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সাথে আলোচনায় বসতে পারেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
  • সরকারিভাবে বৈঠক পিছানোর নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানানো হয়নি।
  • নতুন সরকারের আমলে প্রথম এই ডিএ বৈঠককে কেন্দ্র করে চাতক পাখির মতো আশায় বুক বাঁধছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *