হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনির ছবি তোলার অপরাধে গ্রেফতার আলিপুরদুয়ারের নামী চিকিৎসক!

হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনির ছবি তোলার অপরাধে গ্রেফতার আলিপুরদুয়ারের নামী চিকিৎসক!

গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকার নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত চিকিৎসকের নাম মানব চন্দ্র (২৮)। তিনি পেশায় একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক এবং আলিপুরদুয়ার জেলাতেই তাঁর নিজস্ব একটি ক্লিনিক রয়েছে। দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনির অন্দরের ছবি ক্যামেরাবন্দী করার অপরাধে তাঁকে মঙ্গলবার রাতে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ ও হাতেনাতে ধরা পড়ার বিবরণ

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ হাসিমারার গুরুদুয়ারা সংলগ্ন বায়ুসেনা ছাউনির মূল প্রবেশপথ ও তার আশপাশের এলাকায় এক যুবককে অত্যন্ত সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। কর্তব্যরত সামরিক আধিকারিকরা লক্ষ্য করেন যে, ওই যুবক তাঁর মোবাইল ফোন দিয়ে বায়ুসেনা ঘাঁটির একাধিক ছবি তুলছেন। সামরিক নিয়ম অনুযায়ী নিষিদ্ধ এলাকায় ছবি তোলার কারণে আধিকারিকরা তৎক্ষণাৎ বিষয়টি হাসিমারা থানায় জানান এবং যুবকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশি তৎপরতা ও তদন্তের ভবিষ্যৎ

বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে হাসিমারা থানার পুলিশ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে মঙ্গলবার রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক মানব চন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়। ভারতীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। এই পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার চিকিৎসক কেন এবং কী উদ্দেশ্যে এই সমস্ত স্পর্শকাতর ছবি তুলছিলেন, তাঁর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

এক ঝলকে

  • হাসিমারা বায়ুসেনা ছাউনির ছবি তোলার অভিযোগে মানব চন্দ্র নামে এক তরুণ চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
  • ধৃত যুবকের বয়স ২৮ বছর এবং আলিপুরদুয়ারে তাঁর নিজস্ব একটি ক্লিনিক রয়েছে বলে জানা গেছে।
  • মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাসিমারার গুরুদুয়ারা সংলগ্ন সামরিক ঘাঁটির বাইরে সন্দেহজনকভাবে ছবি তোলার সময় তাঁকে চিহ্নিত করা হয়।
  • বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *