“দিল্লি থেকে ভাঙার চক্রান্ত, সব ব্যর্থ হবে!” বিজেপির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন মমতা

“দিল্লি থেকে ভাঙার চক্রান্ত, সব ব্যর্থ হবে!” বিজেপির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন মমতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রতিবেদনটি নিচে দেওয়া হলো:

বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মরিয়া লড়াইয়ের ডাক মমতার, ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ শ্লোগান তৃণমূল সুপ্রিমোর

ফের একবার সরাসরি আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলের প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে এবং রাজ্যে ভোট লুট হয়েছে। ধর্না কর্মসূচিতে মাইক ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় এদিন হ্যান্ডমাইক হাতেই ভাষণ দিতে দেখা যায় তাঁকে। সরকারের এই ‘অগণতান্ত্রিক’ আচরণের তীব্র নিন্দা করে মমতা জানান, সংবিধানকে সামনে রেখেই তিনি এই লড়াই চালিয়ে যাবেন।

সংবিধান রক্ষার শপথ

প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরুর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডঃ বি আর আম্বেদকর এবং মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান। তিনি ঘোষণা করেন যে, এই অত্যাচার ও অনাচার যতদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে, ততদিন তিনি এর মোকাবিলা করবেন। গান্ধীজির বিখ্যাত ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ (করব অথবা মরব) শ্লোগানটি তুলে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি পিছু হটতে নারাজ। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, সরকার তাঁর কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করলেও তিনি ভয় পাওয়ার পাত্রী নন।

সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, প্রশাসন তাঁকে সাধারণ মানুষের সামনে কথা বলতে বাধা দিচ্ছে। ধর্না মঞ্চে মাইক ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়াকে তিনি সংবিধান পরিপন্থী কাজ বলে অভিহিত করেছেন। ভোট পরবর্তী সময়ে রাজ্যে যেভাবে সন্ত্রাস ছড়ানো হয়েছে এবং বিধায়ক ও দলীয় কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, তার কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি। তাঁর মতে, সরকার চাইছে তৃণমূলকে ভেঙে দিতে, কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা এই লড়াইয়ে হার মানবে না। সামগ্রিকভাবে, বিরোধী দলনেত্রী হিসেবে তাঁর এই অবস্থান যে রাজ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও জটিল করে তুলল, তা বলাই বাহুল্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *