‘ইরানের মাত্র ২২ শতাংশ মিসাইল অবশিষ্ট’, যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের
June 6, 202610:01 am

হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আবারও চরমে পৌঁছেছে। সম্প্রতি উভয় দেশ একে অপরের সামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ তুলেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলেছে।
সংঘর্ষের ঘটনাপ্রবাহ:
- ইরানের দাবি: ইরানের আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর কাছে লারাক দ্বীপের অদূরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর গতিবিধি লক্ষ্য করে তারা ‘সতর্কতামূলক’ গুলি চালিয়েছে। বন্দর আব্বাসের উপকূলে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
- আমেরিকার দাবি: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরান বেশ কয়েকটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল, যা মার্কিন বাহিনী আকাশেই ধ্বংস করেছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে আমেরিকা ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত ‘উপকূলীয় নজরদারি রাডার সাইটগুলোতে’ হামলা চালিয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের মতে, আঞ্চলিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ইরান বন্দর আব্বাসে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে পাল্টা দাবি করেছে।
বর্তমান সামরিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- ইরানের সামরিক সক্ষমতা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে ইরানের মিসাইল ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসছে এবং বর্তমানে তাদের হাতে মাত্র ২১-২২ শতাংশ মিসাইল অবশিষ্ট রয়েছে।
- অস্থিরতা: কুয়েত বিমানবন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে ইরানি ড্রোনের হামলায় এক ভারতীয়র মৃত্যুর ঘটনা এবং তার প্রেক্ষিতে সৃষ্ট উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই এই নতুন সংঘাত শুরু হয়েছে।
- শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ: দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বা শান্তি আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সংঘাত অবসানের ইঙ্গিত দিলেও, উভয় পক্ষের অনমনীয় অবস্থান উত্তেজনা প্রশমনের পথকে বাধাগ্রস্ত করছে।