দিল্লিতে কাকলিদের চিঠির হদিস নেই, তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহী শিবিরে বড় ধাক্কা!

দিল্লিতে কাকলিদের চিঠির হদিস নেই, তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহী শিবিরে বড় ধাক্কা!

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদীয় দল ভাঙার জল্পনায় আচমকা নতুন মোড়। সোমবার দলের বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছিলেন, ২০ জন সাংসদের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি সূত্রের খবর, স্পিকারের দফতরে এমন কোনও চিঠি আদতে জমাই পড়েনি। এই তথ্য সামনে আসতেই জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

সংখ্যা জোগাড়ে ব্যর্থ বিদ্রোহীরা

সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠকের পর কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছিলেন, তাঁরা সরাসরি বিজেপিতে যোগ না দিয়ে তৃণমূলের একটি পৃথক ব্লক হিসেবে এনডিএ জোটে শামিল হতে চান। তিনি দাবি করেছিলেন, খাতায়-কলমে তিনিই এখনও দলের চিফ হুইপ এবং সেই প্রক্রিয়া মেনেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী শিবিরের পালটা দাবি, দল ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সাংসদ সংখ্যা জোগাড় করতেই ব্যর্থ হয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। সম্ভবত সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পৌঁছায়নি।

বিজেপির অনীহা ও সম্ভাব্য প্রভাব

এই টানাপোড়েনের মধ্যেই বিজেপির এক শীর্ষ নেতার মন্তব্য পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে। ওই নেতার স্পষ্ট বার্তা, আপাতত বাংলা থেকে তৃণমূলের কোনও নেতাকে দলে নেওয়া হবে না। স্পিকারের দফতরে চিঠি জমা না পড়া এবং বিজেপির এই অনীহা প্রমাণ করছে যে, বিদ্রোহী শিবিরের প্রাথমিক পরিকল্পনা ধাক্কা খেয়েছে। এর ফলে তৃণমূলের মূল নেতৃত্ব যেমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বাড়তি সুযোগ পেতে চলেছে, তেমনই বিক্ষুব্ধ সাংসদদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ আপাতত গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *