সায়নী ঘোষের রহস্যজনক আত্মগোপন নিয়ে সরব কুণাল ঘোষ

তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সংগঠনের দায়িত্ব পাওয়ার পরই যেন অন্তরালে চলে গেছেন সায়নী ঘোষ। দলের সাংগঠনিক রদবদলের পর থেকে তাঁকে সেভাবে সক্রিয় দেখা যায়নি। সম্প্রতি দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামার সময় সায়নীকে যেভাবে টুপি, মাস্ক এবং সানগ্লাসে মুখ ঢেকে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এই ঘটনায় কার্যত বিরক্তি প্রকাশ করে কুণাল ঘোষ বলেন, এভাবে মুখ ঢেকে বেরোনো কি কোনো বিপ্লবের ইঙ্গিত, নাকি দলের দায়বদ্ধতা এড়ানোর কৌশল?
সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগ
দলের অন্দরে এবং যুব তৃণমূলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সায়নী ঘোষের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। কুণাল ঘোষের মতে, গ্ল্যামার দেখে কাউকে নেতৃত্বে বসিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না, বরং সংগঠনের প্রধান হিসেবে তাঁকে সবসময় পাওয়া যাওয়া প্রয়োজন। ফোনে সায়নীকে না পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাঁকে দ্রুত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা
লোকসভার বিদ্রোহী শিবিরে সায়নীর যোগ দেওয়ার গুঞ্জনে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতেও তাঁকে দেখা যায়নি। একদিকে যখন দলে নানা সাংগঠনিক অস্থিরতা চলছে, ঠিক তখনই যুব নেত্রীর এমন রহস্যময় আচরণ ও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে। সায়নীর এই নীরবতা রাজনৈতিক মহলে তাঁর ভবিষ্যতের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে।