টিকিট পাননি বিধানসভায়, সেই ১৬ প্রাক্তন বিধায়ককে ডেকে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর!
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/15/suvendu-adhikari-2026-05-15-15-15-48.jpg?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর বিধানসভার প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হতেই তৎপরতা তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার অধিবেশনের প্রথম দিনেই টিকিট না-পাওয়া দলের ১৬ জন প্রাক্তন বিধায়ককে বিধানসভায় ডেকে পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে দল যে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে, মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে আয়োজিত বৈঠকে সেই আশ্বাসই পেয়েছেন এই নেতারা।
প্রশাসন নাকি সংগঠন কোথায় জায়গা পাবেন ব্রাত্যরা?
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিশেষ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রনাথ মাইতি, বিশ্বনাথ কারক, আশিস বিশ্বাস, মধুসূদন বাগ-সহ ১৬ জন প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক। দলীয় সূত্রে খবর, এই প্রাক্তন বিধায়কদের অভিজ্ঞতাকে প্রশাসন বা সাংগঠনিক কাজে কী ভাবে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দলের এই পদক্ষেপে স্পষ্ট যে, অভিমানী ও অভিজ্ঞ নেতাদের দূরে সরিয়ে না রেখে তাঁদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব। এর সম্ভাব্য প্রভাব হিসেবে দলে অন্তর্দ্বন্দ্ব কমার পাশাপাশি নিচুতলার কর্মীদের ঐক্য ও মনোবল অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।
প্রাক্তনদের টিকিট না পাওয়ার নেপথ্য কারণ
সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে এই বিধায়কদের টিকিট না পাওয়ার পিছনে বেশ কিছু কারণ কাজ করেছিল। আরামবাগ ও গোঘাটের প্রাক্তন বিধায়ক মধুসূদন বাগ এবং বিশ্বনাথ কারকের ক্ষেত্রে মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে অস্বস্তি এড়াতেই ওই দুই জেতা আসনে প্রার্থী বদল করেছিল দল। অন্যদিকে, ভগবানপুরের প্রাক্তন বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ অমান্য করে রামমন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যা সফরে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তবে পুরনো সেসব সমীকরণ দূরে সরিয়ে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশনের দিনই এই প্রাক্তন বিধায়কদের সংগঠনে বা প্রশাসনে কাজে লাগানোর উদ্যোগ রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।