চরম বর্বরতা! স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও পৈশাচিক নির্যাতন
বিহারের বেগুসরাই জেলায় এক গৃহবধূর ওপর চরম নারকীয় ও পৈশাচিক নির্যাতনের ঘটনা সামনে এসেছে। গত ১১ জুন চাকিয়া থানা এলাকায় রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ একদল দুষ্কৃতী ওই গৃহবধূর বাড়িতে হামলা চালায়। স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রেখে অন্য ঘরে ওই মহিলাকে জোরপূর্বক টেনে নিয়ে গিয়ে পরপর পাঁচজন ধর্ষণ করে। এই ভয়াবহ পাশবিক অত্যাচারে ওই মহিলা জ্ঞান হারান।
পৈশাচিক নির্যাতনের ভয়ংকর রূপ
ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় দুষ্কৃতীরা ব্লেড দিয়ে ওই গৃহবধূর বুক ও উরু চিরে দেয়। পরে সংজ্ঞা হারানো অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা হতভম্ব হয়ে যান। তলপেটে প্রবল যন্ত্রণার কারণে পরীক্ষা করার পর তাঁর যৌনাঙ্গ থেকে একটি আস্ত বুলেট, পাথর এবং কাঠের টুকরো বের করেন চিকিৎসকরা। নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তাঁর ছোট ননদ এসে তাঁদের উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন এবং এরপর বারৌনি ও পরে সদর হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলে।
পুলিশের ভূমিকা ও সম্ভাব্য প্রভাব
এই বর্বরোচিত ঘটনার নেপথ্যে পুলিশের পূর্ববর্তী নিষ্ক্রিয়তা বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। নির্যাতিতার দাবি, মাত্র তিন মাস আগেই তিনজন দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে ঢুকে মারধর, লুটপাট এবং যৌন হেনস্থার চেষ্টা করেছিল। সেই সময় পুলিশকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ওই একই দুষ্কৃতীরা ফিরে এসে এই প্রতিশোধমূলক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশের এই চরম গাফিলতির ফলে অপরাধীরা যেমন প্রশ্রয় পেয়েছে, তেমনই এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং সার্বিক নারী নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। অভিযুক্তরা এখনও অধরা থাকলেও পুলিশ দাবি করেছে জোরদার তল্লাশি চলছে এবং খুব দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।