চরম পৈশাচিকতা! স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, যৌনাঙ্গে ঢোকানো হল বুলেট-পাথর

পাটনা: রাতের অন্ধকারে বিহারে ঘটে গেল এক চূড়ান্ত নারকীয় ও হাড়হিম করা ঘটনা। এক গৃহবধূকে দলবেঁধে গণধর্ষণের পর তাঁর ওপর চরম অমানবিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠল পাঁচ দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পাশবিকতার সমস্ত সীমা পার করে ধর্ষণের পর ওই মহিলার যৌনাঙ্গে বুলেট, পাথর এবং কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে দেওয়া হয়!
কী ঘটেছিল সেই অভিশপ্ত রাতে? পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে আচমকাই ওই মহিলার বাড়িতে জোর করে ঢুকে পড়ে পাঁচ দুষ্কৃতী। তারা প্রথমেই মহিলার স্বামীকে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রাখে। এরপর অসহায় ওই গৃহবধূকে জোর করে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির বাইরে একটি ফাঁকা ও নির্জন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে অভিযুক্তরা।
চরম পৈশাচিকতার শিকার গৃহবধূ: নির্যাতিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি দুষ্কৃতীরা, তাঁর ওপর চরম বিকৃত অত্যাচার চালানো হয়। তাঁর যৌনাঙ্গে জোর করে বুলেট, পাথর এবং কাঠের টুকরো ঢুকিয়ে দেয় তারা। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা ওই মহিলার স্তন ও উরুতে ব্লেড দিয়ে এলোপাথাড়ি চিরে দেওয়া হয় বলেও মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।
ইতিমধ্যেই ওই পাঁচ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা মহিলা। এই ভয়াবহ ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই গোটা এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই চরম নারকীয় কাণ্ডের পরেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেও এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অধরা দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।