জামাইষষ্ঠীতে অমিল টাটকা ইলিশ, চড়া দামে হিমঘরের মাছেই ভরসা!

জামাইষষ্ঠীতে অমিল টাটকা ইলিশ, চড়া দামে হিমঘরের মাছেই ভরসা!

বাঙালির অন্যতম উৎসব জামাইষষ্ঠীতে এবার জামাইয়ের পাতে গঙ্গার টাটকা ইলিশ তুলে দেওয়া নিয়ে সংশয়ে শ্বশুরমশাইরা। কারণ, কলকাতার বাজারগুলিতে খুঁজলেও সদ্য ধরা টাটকা ইলিশের দেখা মিলছে না। উৎসবের মুখে শহরের বাজারগুলি পুরোপুরি ভিনরাজ্যের এবং হিমঘরে মজুত রাখা ফ্রোজেন ইলিশের দখলে চলে গিয়েছে।

সঙ্কটের কারণ ও ঊর্ধ্বমুখী বাজারদর

সাধারণত প্রতি বছর জামাইষষ্ঠীর আগে ফরাক্কার গঙ্গায় নতুন ইলিশ জালে উঠলেও, এবার বর্ষার টাটকা ইলিশ এখনও বাজারে এসে পৌঁছায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীদের গুজরাত বা মুম্বই থেকে আসা এবং স্টোর করা পুরনো মাছের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। টাটকা মাছের এই আকালের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারদরে। এক কেজি ওজনের ফ্রোজেন ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা প্রতি কেজিতে। এছাড়া কলাপাতা দিয়ে মোড়ানো মাছগুলোর দাম সাধারণ ইলিশের তুলনায় আরও বেশি। চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকায় ক্রেতাদের বাধ্য হয়েই চড়া দামে এই হিমঘরের মাছ কিনে উৎসবের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে।

সঠিক মাছ চিনে নেওয়ার উপায়

চড়া দামে পুরনো মাছ কিনে যাতে ক্রেতারা না ঠকেন, তার জন্য কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ভালো মানের ইলিশের গায়ে একটি উজ্জ্বল লালচে-গোলাপি আভা থাকে এবং চোখের ভেতরটাও লালচে হয়, যা অন্য সামুদ্রিক মাছে থাকে না। অনেক সময় রং মাখিয়ে এই আভা আনার চেষ্টা করা হয়, তাই কেনার আগে তা ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। মাছের চোখ ঘোলাটে হলে বা কাটার সময় রক্তের রং কালচে দেখালে বুঝতে হবে সেটি দীর্ঘদিনের মজুত রাখা মাছ এবং এর স্বাদ একেবারেই ভালো হবে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *