পর্ন দেখিয়ে বিকৃত যৌন অত্যাচার! স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ
June 28, 202610:01 am

আহমেদাবাদ: বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার এক গৃহবধূ। পর্নোগ্রাফি দেখিয়ে জোর করে অপ্রাকৃতিক যৌনমিলন, গর্ভবতী অবস্থায় মারধর এবং লাগাতার মানসিক নিগ্রহের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। অবশেষে পুলিশি দ্বারস্থ হলেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী।
অভিযোগের ভিত্তিতে যা জানা গেছে:
- বিকৃত যৌনাচার: নির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁর স্বামী তাঁকে জোর করে পর্ন ছবি দেখাতেন এবং বিকৃত যৌনমিলনে বাধ্য করতেন। অসুস্থ শরীর বা অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্বামীকে থামাতে গেলে জুটত নির্মম মারধর। এমনকি, জোর করে কামোদ্দীপক ওষুধ খাইয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনেরও অভিযোগ উঠেছে।
- গর্ভপাতের চাপ: বিয়ের পর থেকে গৃহবধূর ওপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত। তিনি গর্ভবতী থাকাকালীনও তাঁকে দিয়ে ভারী কাজ করানো হতো। একাধিকবার গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া এবং ডিভোর্স দেওয়ার হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে।
- গোপন অতীত: ২০১১ সালে বিয়ের ১৫ দিনের মধ্যেই তরুণী জানতে পারেন, তাঁর স্বামীর আগে আরও একটি বিয়ে হয়েছিল এবং প্রথম পক্ষের একটি সন্তানও রয়েছে। এই সত্য গোপন করেই বিয়ে করেছিলেন স্বামী।
- লজ্জাজনক ভিডিও: অভিযোগ, স্বামী গভীর রাতে বিদেশি তরুণীদের সঙ্গে ভিডিও কলে অশ্লীল কথোপকথনে লিপ্ত হতেন। বিষয়টি নজরে আসতেই অত্যাচার আরও চরম আকার ধারণ করে।
পুলিশি পদক্ষেপ:
নির্যাতিতার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, তিন কন্যাসন্তানের জন্মের পর শ্বশুরবাড়ির হিংস্রতা চরমে ওঠে। শাশুড়ি ও দেওর তাঁকে ক্রমাগত হেনস্থা করত এবং বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিত। প্রাণনাশের হুমকি উপেক্ষা করে অবশেষে আহমেদাবাদের মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই গৃহবধূ। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর স্বামী, শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।