আসামজুড়ে হাহাকার! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও নদীর সর্বনাশা প্লাবনে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২১, জলবন্দি লক্ষাধিক

অসমজুড়ে হাহাকার! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও নদীর সর্বনাশা প্লাবনে ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২১, জলবন্দি লক্ষাধিক

নাগাল্যান্ডে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে আসাম। গত ৫০ বছরের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদীগুলির জলস্তর বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। যার জেরে শিবসাগর, জোরহাট ও কার্বি আংলংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলের তলায় চলে গেছে। শুধু মঙ্গলবারই রাজ্যজুড়ে ২১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

খবরের মূল হাইলাইটস:

  • ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি: সরকারি সূত্র অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার একদিনেই ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (ASDMA) তথ্য অনুযায়ী, ১৬টি জেলার ৫.৬৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ এই মুহূর্তে জলবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত।
  • ৫০ বছরের রেকর্ড ভাঙল জলস্তর: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পরিস্থিতিকে ‘অভাবনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন। ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী দিখৌ ও দেশংয়ের জলস্তর আচমকা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিবসাগর, চরাইদেও এবং জোরহাটের মতো এলাকাগুলি ভেসে গেছে, যা অতীতে কখনও দেখেনি স্থানীয় বাসিন্দারা।
  • বিঘ্নিত উদ্ধারকাজ: প্রধান রাস্তাগুলি জলমগ্ন থাকায় দুর্গত এলাকায় পৌঁছতে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় সেনা নামানো হয়েছে। সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই ৫০০-র বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে এবং হেলিকপ্টার ও ড্রোনের মাধ্যমে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে।

প্রেক্ষাপট:

নাগাল্যান্ডের আকস্মিক মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে আসামের নিম্নাঞ্চলগুলিতে জল হু হু করে ঢুকতে শুরু করেছে। এর ফলে আমগুড়ি, টিওক, তিতাবড়ের মতো ছোট শহরগুলো জলের নিচে চলে গেছে। প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *