প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান! বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান! বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

দিল্লির যন্তর মন্তরে গত ৬ জুন থেকে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের জেরে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোরের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শনিবার পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই নাকি নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তথা মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের দাবি অনুযায়ী, আন্দোলন দানা বাঁধার শুরুতেই ধর্মেন্দ্র প্রধান দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, আন্দোলন প্রশমিত করতে যদি তাঁর পদত্যাগ প্রয়োজন হয়, তবে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াতে প্রস্তুত। তবে সেই সময় দলের নেতৃত্ব তাঁকে এখনই পদ ছাড়তে বারণ করে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে আন্দোলন এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি ‘বর্বরতা’-র নানা অভিযোগ ওঠার পর থেকেই গোটা পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটে। এরপরই অবশেষে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানান, ‘আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধান বিজেপি সভাপতিকে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, প্রয়োজন মনে করলে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত।’ যদিও সেই মুহূর্তে তা গ্রহণ করা হয়নি।

এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কৈলাস। তাঁর আরও দাবি, ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে কিছু বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী ও অবাঞ্চিত লোকজনের অনুপ্রবেশ ঘটেছিল, যা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারত। শিক্ষামন্ত্রীর এই পদত্যাগের মাধ্যমেই সেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *