শ্রাবণ মাসে মহাকালেশ্বর মন্দিরে বড় বদল! জানুন ভস্ম আরতি ও মন্দির খোলার নতুন সময়সূচী

শ্রাবণ মাসে মহাকালেশ্বর মন্দিরে বড় বদল! জানুন ভস্ম আরতি ও মন্দির খোলার নতুন সময়সূচী

পবিত্র শ্রাবণ মাস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিখ্যাত শ্রী মহাকালেশ্বর মন্দিরে ভক্তদের বাঁধভাঙা ভিড় সামলাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে মন্দির খোলার সময়, দর্শন ব্যবস্থা এবং ভস্ম আরতির সময়ে নিয়ে আসা হয়েছে বড় ধরনের পরিবর্তন। এছাড়া কানওয়াড় যাত্রীদের জন্যেও করা হয়েছে বিশেষ বন্দোবস্ত।

মহাকালেশ্বর মন্দিরের সহকারী প্রশাসক আশীষ পালওয়াড়িয়া জানিয়েছেন, ৩০শে জুলাই থেকে শ্রাবণ মাস শুরু হচ্ছে। এই সময়ে ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে বাবা মহাকালের কৃপা লাভ করতে পারেন, তার জন্যই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

ভস্ম আরতি ও মন্দির খোলার নতুন সময়সূচী

  • সপ্তাহের ৬ দিন: প্রতিদিন ভোর ৩টায় মন্দিরের দরজা খোলা হবে। এরপর ভোর ৩টে থেকে ৫টার মধ্যে বাবা মহাকালের পবিত্র ভস্ম আরতি সম্পন্ন হবে।
  • বিশেষ সোমবার: শ্রাবণের প্রতি সোমবারে উপচে পড়া ভিড়ের কথা মাথায় রেখে আরও আধঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ভোর ২টো ৩০ মিনিটেই মন্দিরের কপাট খুলে দেওয়া হবে।

সাধারণ দর্শনের প্রবেশ রুট

সাধারণ দর্শনার্থীদের সুশৃঙ্খলভাবে চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট পথ তৈরি করা হয়েছে:

  • প্রধান রুট: ত্রিবেণী মিউজিয়ামের কাছের ‘নন্দী দ্বার’ দিয়ে প্রবেশ করে শ্রী মহাকাল মহালোক, মানসরোবর ভবন ও ফ্যাসিলিটি সেন্টার-১ হয়ে সুড়ঙ্গের মাধ্যমে কার্তিক ও গণেশ মণ্ডপমে পৌঁছাতে হবে।
  • নীলকণ্ঠ গেট রুট: এই গেট দিয়ে আসা ভক্তরাও সুড়ঙ্গ পথ ধরে মানসরোবর ভবন ও ফ্যাসিলিটি সেন্টার হয়ে মূল মণ্ডপে পৌঁছাবেন। দ্রুত দর্শনের জন্য গেট নং ১ এবং গেট নং ৫ খোলা রাখা হবে।

কানওয়াড় যাত্রীদের জন্য বিশেষ নিয়ম

যেসব ভক্ত কানওয়াড় নিয়ে বাবা মহাকালকে জল নিবেদন করতে আসবেন, তাঁদের জন্য মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিশেষ সুবিধা থাকবে। এই চার দিন কানওয়াড় যাত্রীরা ১ নং গেট এবং হর্ষসিদ্ধি স্কোয়ারের বিশেষ দর্শন পথ ব্যবহার করে সহজেই জল ঢালতে পারবেন। তবে শনি, রবি ও সোমবারে ভিড় চরম আকার ধারণ করায় কানওয়াড়দের জন্য কোনো পৃথক বিশেষ লাইন থাকবে না; তাঁদের সাধারণ সারিতে দাঁড়িয়েই জল অর্পণ করতে হবে।

পার্কিং ও জুতো রাখার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা

ভক্তদের সুবিধার্থে একাধিক পার্কিং ও জুতো রাখার কাউন্টার তৈরি করা হয়েছে:

  • পার্কিং অঞ্চল: মেঘদূত ফরেস্ট পার্কিং, নীলকণ্ঠ পার্কিং, করকরাজ পার্কিং, চারধাম পার্কিং এবং কার্তিক মেলা পার্কিংয়ে গাড়ি রাখা যাবে।
  • জুতো রাখার স্ট্যান্ড: ত্রিবেণী মিউজিয়াম, শ্রী মহাকাল মহালোক, হর্ষসিদ্ধি মোড়, নীলকণ্ঠ প্রবেশদ্বার, মানসরোবর ভবন, বিক্রমশীলা এবং ১ নম্বর গেটের বাইরের জুতো রাখার কাউন্টারে জুতো জমা রাখা যাবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *