‘আগে PM Cares ফান্ডের RTI করুন!’ আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই কড়া জবাব দিপকের

‘আগে PM Cares ফান্ডের RTI করুন!’ আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই কড়া জবাব দিপকের

ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ এবং পরিবারের অর্থায়ন নিয়ে ওঠা সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন তিনি নিজেই। বরখা দত্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ স্পষ্ট জানান, বস্টন ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপ এবং এডুকেশন লোনের মাধ্যমে তাঁর উচ্চশিক্ষার খরচ চলেছে। প্রমাণ হিসেবে তিনি তাঁর স্কলারশিপ লেটারও জনসমক্ষে তুলে ধরেন।

বিতর্কের সূত্রপাত কোথায়? সম্প্রতি সুরাতের এক RTI কর্মী মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিযোগ তোলেন যে, অভিজিতের বাবা মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (MIDC) একজন অবসরপ্রাপ্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, যাঁর মাসিক বেতন ছিল প্রায় ৬০-৬৫ হাজার টাকা। এই আয়ে কীভাবে আমেরিকায় পড়াশোনার বিপুল খরচ সামলানো সম্ভব হলো, তা নিয়ে তদন্তের দাবি জানান ওই কর্মী।

পাল্টা আক্রমণ ও রাজনৈতিক বিতর্ক: অভিজিতের পাশে দাঁড়িয়ে CJP মুখপাত্র বৈষ্ণবী গৌর কটাক্ষ করে বলেন, একজন ব্যক্তির শিক্ষার খরচ নিয়ে RTI না করে বরং সবার আগে ‘PM CARES Fund’-এর খরচের হিসেব নিয়ে RTI করা উচিত। দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, CJP-র ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ধরনের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অন্যান্য দাবি:

  • স্বচ্ছ ফান্ডিং: অভিজিৎ জানান, আগামীতে CJP পুরোপুরি সাধারণ মানুষের থেকে ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে দল পরিচালনা করবে এবং তা স্বচ্ছ রাখা হবে।
  • NEET আন্দোলনে পুলিশি সমর্থন: তিনি দাবি করেন, NEET আন্দোলন চলাকালীন দিল্লি পুলিশের কিছু কর্মীর সন্তানরাও পরীক্ষার্থী হওয়ায় তাঁরা গোপনে আন্দোলনকারীদের জল ও সমর্থন জুগিয়েছিলেন।
  • বাড়তে থাকা বিতর্ক: সম্প্রতি প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল গ্রেফতার হওয়া পড়ুয়াদের আইনি সহায়তার জন্য ১ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করার পর থেকেই CJP-র তহবিলের উৎস নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *