বিধানসভার কমিটি বণ্টনে নতুন বিতর্ক: নওশাদ পেলেন চেয়ারম্যান পদ, বঞ্চিত ‘কালীঘাট’ অনুগামীরা!

বিধানসভার কমিটি বণ্টনে নতুন বিতর্ক: নওশাদ পেলেন চেয়ারম্যান পদ, বঞ্চিত ‘কালীঘাট’ অনুগামীরা!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ৪১টি স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান পদ বণ্টন কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বুধবার বিধানসভা সচিবালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ৩১টি কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে শাসকদল বিজেপির বিধায়কদের এবং বাকি ১০টি পদ বরাদ্দ করা হয়েছে বিরোধী শিবিরের জন্য।

তবে বিরোধী শিবিরের জন্য বরাদ্দ ১০টি পদের মধ্যে ভাঙড়ের আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী “পেপার লেড কমিটির” চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্যদিকে, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (PAC) চেয়ারম্যান হয়েছেন ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক কানহাইয়া লাল অগ্রবাল (যাকে বর্তমানে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী শিবিরের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়)।

কিন্তু কংগ্রেস, সিপিএম এবং কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের কোনো বিধায়কই কোনো কমিটির চেয়ারম্যান পদ না পাওয়ায় তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিষয়টি নিয়ে স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। কালীঘাট শিবিরের দাবি, বিজেপি সরকার ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী শিবিরের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমঝোতার কারণেই এমন পক্ষপাতমূলক বণ্টন করা হয়েছে।

যদিও এই বিতর্কের মুখে বিধানসভা সচিবালয় ও শাসকপক্ষ সাফাই দিয়েছে:

  • সচিবালয়ের যুক্তি: সংখ্যানুপাত এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই পদ বণ্টন হয়েছে। নওশাদ দ্বিতীয়বারের বিধায়ক হওয়ায় তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে।
  • পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের বক্তব্য: বিধানসভার প্রচলিত রীতি মেনেই বিরোধীদের চেয়ারম্যান পদ দেওয়া হয়েছে। কে “আসল” বা “নকল” বিরোধী, তা মাপার কোনো যন্ত্র নেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *