তোলাবাজিতে ‘জিরো টলারেন্স’: শমীকের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম শেষ, বিজেপিতে ধড়পাকড়-সাসপেন্ড ২২!

তোলাবাজিতে ‘জিরো টলারেন্স’: শমীকের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম শেষ, বিজেপিতে ধড়পাকড়-সাসপেন্ড ২২!

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরেই তোলাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল শাসক দল বিজেপি। বিজেপির নাম ভাঙিয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে তোলাবাজি ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠতেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার সেই কথামতোই শুরু হলো বড়সড় সাংগঠনিক ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’।

কী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শমীক? দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, বিজেপি কোনোভাবেই তোলাবাজি বা দলের ‘তৃণমূলীকরণ’ সহ্য করবে না। ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, “যেভাবে ডিম থেরাপি শুরু হয়েছে, সেই ডিম ঘুরে অন্যদিকে পড়তে সময় লাগবে না।” এমনকি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রশাসনিক স্তরে এসবের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন বলে তিনি জানান।

কী অ্যাকশন নেওয়া হলো? ১৫ দিনের ডেডলাইন শেষ হতেই নড়েচড়ে বসেছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব:

  • ২৫০ জনকে শোকজ: মোট ২৫০ জন নেতা-কর্মীকে শো-কজ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।
  • ৮০ জন ছাড় পেলেন: এর মধ্যে ৮০ জনের জবাব গ্রহণযোগ্য মনে হওয়ায় তাঁদের রেহাই দেওয়া হয়েছে।
  • ২২ জন সাসপেন্ড: উপযুক্ত উত্তর না মেলায় ইতিমধ্যেই ২২ জন কর্মীকে দল থেকে সরাসরি সাসপেন্ড করা হয়েছে।
  • বাকিদের বিষয়েও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

দলের ভেতরে এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে বিজেপি স্পষ্ট বার্তা দিল যে, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা তোলাবাজি বরদাস্ত করার বান্দা তারা নয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *