‘প্রশ্ন তুলুন, উত্তর খোঁজার সাহসও দেখান!’: IIT দিল্লির সমাবর্তনে জেন-জি-কে মোদীর জীবনমন্ত্র

নতুন দিল্লি: সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তোলপাড়ের পর এই প্রথম কোনো বড় জনসমক্ষে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্থান—আইআইটি দিল্লির (IIT Delhi) ৫৭তম সমাবর্তন মঞ্চ, আর শ্রোতা হাজার তিনেক ‘জেন-জি’ (Gen-Z) তরুণ শিক্ষার্থী ও প্রায় ৫৮৭ জন পিএইচডি স্কলার। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পরীক্ষার সিলেবাসের সঙ্গে বাস্তব জীবনকে মিলিয়ে দিয়ে এক নতুন বার্তা দিলেন।
তিনি বলেন, “প্রশ্ন করা অবশ্যই ভালো, তবে সেই প্রশ্নের উত্তর নিজে খোঁজার সাহসও থাকতে হবে।” মোদী স্মরণ করিয়ে দেন যে, ক্যাম্পাসের বাইরের জীবন একেবারেই আলাদা। পরীক্ষার হলের মতো জীবনের লড়াইতে আগে থেকে প্রস্তুত করা কোনো ‘প্রশ্নপত্র’ থাকে না; তাই যেকোনো বড় বা জটিল সমস্যা দেখে ভয় না পেয়ে সেটিকে ছোট ছোট অংশে ভেঙে নিয়ে নিজের সমাধান নিজেকেই খুঁজে নিতে হবে।
দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রযুক্তি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি—সবই খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। আগামী ২০-৩০ বছর পর পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা বলা কঠিন। তাই সাফল্য ধরে রাখতে একটানা ‘শেখার ক্ষমতা’ বা কৌতূহল বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি। দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে মোদী আশাপ্রকাশ করেন যে, ভারতীয় তরুণদের হাত ধরেই ভবিষ্যতে ‘চিপ থেকে জাহাজ’—সবই দেশে তৈরি হবে।
অনুষ্ঠানে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অঙ্গ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি এআই (AI) চালিত সুপার কম্পিউটার ‘পরম প্রজ্ঞা’-র শুভ উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে ‘প্রেসিডেন্টস গোল্ড মেডেল’-সহ একাধিক ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা ও পিএইচডি ডিগ্রি তুলে দেন তিনি।