মাঝআকাশে মরণফাঁদ! এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বিপর্যয়ের নেপথ্যে পাইলটের ‘মাদক-যোগ’?

মাঝআকাশে মরণফাঁদ! এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বিপর্যয়ের নেপথ্যে পাইলটের ‘মাদক-যোগ’?

ফুকেট থেকে নয়াদিল্লি: মাঝআকাশে ভয়াবহ টার্বুলেন্স বা তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়া এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের পাইলটকে ঘিরে তৈরি হলো মারাত্মক বিতর্ক। বিমানটি ল্যান্ড করার পর বাধ্যতামূলক ‘ডোপ টেস্ট’ (মাদক পরীক্ষা)-এ অকৃতকার্য হয়েছেন ককপিটে থাকা দুই পাইলটের একজন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত উভয় পাইলটকেই উড্ডয়ন সংক্রান্ত সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে (ডি-রোস্টার) দেওয়া হয়েছে।

অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রধান বিমান চলাচল সংক্রান্ত নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ (DGCA) ইতিমধ্যেই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই ঠিক করা হবে, বিষয়টি নিয়ে ‘এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’ (AAIB)-র মাধ্যমে আলাদা কোনো তদন্তের প্রয়োজন আছে কি না।

এয়ার ইন্ডিয়ার বক্তব্য: অবশ্য এ বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। বিমান সংস্থার এক মুখপাত্র জানান, “নিয়ম মেনে পাইলটদের ফ্লাইট-পরবর্তী স্ক্রিনিং করা হলেও সেই পরীক্ষার অফিসিয়াল রেজাল্ট এখনও আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। নিয়ম মেনে আমরা নিয়মিত ক্রু-দের ডোপ টেস্ট করি এবং তদন্তের প্রয়োজনে সবরকম সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত।”

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি মাঝআকাশে হঠাৎ মারাত্মক ঝাঁকুনির কবলে পড়ে এবং আচমকাই কিছুটা উচ্চতা হারিয়ে ফেলে। এতে বিমানে থাকা প্রায় ২৪ জন যাত্রী মারাত্মকভাবে অসুস্থ ও আহত হয়ে পড়েন। ল্যান্ডিংয়ের পরেই তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। অবশ্য অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু কিঞ্জারাপু জানিয়েছেন, চিকিৎসা শেষে অধিকাংশ যাত্রীকে প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *