সাফল্যের ইঁদুর দৌড়ে ক্লান্ত তরুণ মন! মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে ইমোশনাল সেফটি কতটা জরুরি?

আজ আন্তর্জাতিক যুব দিবস। বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা একদিকে যেমন অবারিত সুযোগের মুখোমুখি, তেমনই চাপের পাহাড়ও তাঁদের নিত্যসঙ্গী। পড়াশোনা, কেরিয়ারের অনিশ্চয়তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের সাথে ক্রমাগত নিজের জীবন মেলানোর প্রবণতা তাঁদের মনে নিঃশব্দে বাসা বাঁধছে উদ্বেগ ও ব্যর্থতার ভয়। বন্ধুদের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে অনেকে নিজেদের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে বিসর্জন দিচ্ছেন। এই তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্রমশ অবনতি ঘটছে, অথচ লোকলজ্জা বা দুর্বল ভেবে অনেকে নিজের কষ্টের কথা মুখ ফুটে বলতে পারছেন না।
এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে ‘ইমোশনাল সেফটি’ বা এমন এক নিরাপদ পরিবেশ, যেখানে নির্ভয়ে নিজের মনের কথা বলা যায়। মানসিক দৃঢ়তা মানেই একা লড়াই করা নয়, বরং প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়ার সাহস রাখা। অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বুঝতে হবে, সন্তানের প্রতিটি সমস্যার সমাধান উপদেশ দিয়ে হয় না; অনেক সময় শুধু বিচারহীনভাবে কথা শোনাটাই বড় ওষুধ। তাই পরীক্ষার নম্বর বা সামাজিক সাফল্যের মাপকাঠিতে বিচার না করে তরুণদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। মনে রাখতে হবে, ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ এবং প্রয়োজনে সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থতার লক্ষণ।