বিদ্রোহী ২০ সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, অস্বস্তিতে সায়নী-কাকলিরা!

সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হলেও তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। কালীঘাট তৃণমূল শিবিরের আগাম ইঙ্গিত মেনে অবশেষে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের আইনি পদক্ষেপ ও জোড়া প্রশ্ন প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সায়নী ঘোষ ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ দলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কেন দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করা হবে না এবং কেন তাঁদের সংসদ পদ বাতিল করা হবে না—এই দুই মূল প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেল এবং অভিযুক্ত ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হতে পারে।
স্পিকারের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ এর আগে গত জুন মাসে ওই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লোকসভার স্পিকারকে আলাদাভাবে ২০টি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে জুলাই মাসে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত পদক্ষেপের অনুরোধ জানান।
অভিযোগ, দলীয় আবেদন সত্ত্বেও স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টে এনডিএ-র বিভিন্ন বৈঠক এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে ওই বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়মিত উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। স্পিকারের এই নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদেই শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট তৃণমূল শিবির, যা রাজনৈতিক মহলের জল্পনাকে সত্যি করল।