অন্নপূর্ণা যোজনায় আটকে ১৭ লাখ আবেদন! ২০ আগস্ট থেকে ‘সোশ্যাল রেজিস্টার’-এ সংশোধনের বড় সুযোগ

অন্নপূর্ণা যোজনায় আটকে ১৭ লাখ আবেদন! ২০ আগস্ট থেকে ‘সোশ্যাল রেজিস্টার’-এ সংশোধনের বড় সুযোগ

১ কোটি ৪৫ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে পৌঁছাচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা রাজ্যে অন্নপূর্ণা যোজনার তৃতীয় কিস্তির ৩,০০০ টাকা সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হয়েছে। এ মাসে ১ কোটি ৪৫ লাখ যোগ্য মহিলার অ্যাকাউন্টে এই অর্থ পৌঁছে দিতে সরকারের খরচ হচ্ছে প্রায় ৪,৩৫০ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার জানিয়েছেন, আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে সমস্ত যোগ্য সুবিধাভোগীর অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

কেন আটকে গেল ১৭ লাখ আবেদন? মোট ১ কোটি ৮০ লাখ আবেদনের মধ্যে ১ কোটি ৬২ লাখ যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ আবেদনকারীর অর্থপ্রদান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

  • প্রধান কারণ: প্রায় ১০ লাখ আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত (Link) নেই।
  • অন্যান্য কারণ: পরিবারের কোনো সদস্যের সরকারি চাকরি, আয়কর প্রদান বা নির্দিষ্ট বার্ষিক আয়ের সীমা অতিক্রম করা।

২০ আগস্ট থেকে ফের সুযোগ: ‘সোশ্যাল রেজিস্টার’ পোর্টালে যা করবেন আবেদন আটকে যাওয়া মানেই তা স্থায়ীভাবে বাতিল নয়। আগামী ২০ আগস্ট থেকে সরকারি পোর্টালের ‘সোশ্যাল রেজিস্টার’ অপশনে গিয়ে আবেদনকারীরা তথ্য সংশোধন বা নতুন নথি আপলোড করতে পারবেন। কোনো অভিযোগ বা আপত্তি থাকলেও এই পোর্টাল থেকেই জানানো যাবে।

  • বিডিও (BDO) অফিস ও ব্যাঙ্ক শিবির: আধার ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্কের সমস্যা দ্রুত সমাধানে বিডিও-দের ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিশেষ শিবির করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

জরুরি সময়সীমা ও নতুন আবেদনের নিয়ম

  • যাচাই প্রক্রিয়া: ১০ জুলাই পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনপত্রের কাজ শেষ। ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা পড়া নথি যাচাইয়ের কাজ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
  • নতুন আবেদন: নতুন করে আবেদন গ্রহণ আপাতত বন্ধ। ৩১ জুলাই পর্যন্ত পাওয়া সমস্ত আবেদনের যাচাই শেষ হওয়ার পর, ৩০ সেপ্টেম্বরের পর নতুন আবেদনের জন্য পোর্টাল পুনরায় খোলা হতে পারে।

কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না? সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী নিচের শর্তগুলোর মধ্যে পড়লে এই প্রকল্পের টাকা পাওয়া যাবে না:

  • পরিবারে কেন্দ্র/রাজ্য সরকার, পুরসভা, পঞ্চায়েত বা সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী কর্মী (শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীসহ) থাকলে।
  • ৬০ বছরের বেশি বয়সি পেনশনভোগী।
  • পরিবারের বার্ষিক আয় ১২ লাখ টাকার বেশি হলে বা পরিবার আয়কর প্রদান করলে।
  • মহিলার নিজস্ব মাসিক আয় ১০ হাজার টাকার বেশি হলে।

যাঁদের আবেদন আটকেছে, প্রশাসনিক পর্যালোচনার পর যোগ্য প্রমাণিত হলে তাঁদেরও পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *