৬০ ঘণ্টার রহস্যময় অভিযানে কাঁপছে আকাশ, রাওয়ালপিন্ডিতে চীন-তুরস্কের বিমানের তৎপরতায় বাড়ল উদ্বেগ

৬০ ঘণ্টার রহস্যময় অভিযানে কাঁপছে আকাশ, রাওয়ালপিন্ডিতে চীন-তুরস্কের বিমানের তৎপরতায় বাড়ল উদ্বেগ

পাকিস্তানের নূর খান ও মাসরুর বিমান ঘাঁটিতে চীন ও তুরস্কের সামরিক পরিবহন বিমানের টানা ৬০ ঘণ্টার অস্বাভাবিক অভিযান ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এই ঘটনার পর থেকেই সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। সূত্র মারফৎ জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই এই রহস্যময় রসদ সরবরাহ প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হয়। শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিকরা ৬০ ঘণ্টা ধরে চলা এই ব্যাপক বিমান চলাচলকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক বলে বর্ণনা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ড্রোন, নতুন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করতেই এই তৎপরতা চালানো হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক সংঘর্ষে পাকিস্তানের ক্ষতিগ্রস্ত প্রযুক্তিগত ফাঁকপূরণ ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতেই এই যৌথ প্রয়াস। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই যুদ্ধবিমান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং চালকবিহীন আকাশযানের জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে মে মাসে পাকিস্তানের বিমান প্রধানের তুরস্ক সফরের পর এই ধরনের বিশাল রসদ সরবরাহ দুই দেশের গভীর প্রতিরক্ষার কৌশলগত ইঙ্গিত দেয়। তিন দেশের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী যে কোনো একজনের ওপর হামলাকে সম্মিলিত হামলা হিসেবে গণ্য করার শর্ত থাকায়, এই তৎপরতাকে কোনো সাধারণ দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রম নয় বরং বড় কোনো সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কৌশলগত পরিস্থিতির পর্যালোচনায় গোটা সীমান্তজুড়ে কড়া নজরদারি বজায় রেখেছে ভারত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *