মৃত্যুর পর চিতায় পুড়তে চাওয়ায় ১৬ বছরের লড়াই! শেষ পর্যন্ত সমীরুদ্দিন হলেন সমীর রায়

হুগলির চুঁচুড়ার বাসিন্দা তথা লেডি ডাফরিন হাসপাতালের আইটি কর্মী সমীরুদ্দিন মোল্লা দীর্ঘ ষোলো বছরের আইনি ও সামাজিক লড়াই শেষে অবশেষে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করে তিনি এখন সমীর রায়। ২০১০ সালে প্রথমবার আবেদন করলেও বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাঁকে। শেষ পর্যন্ত ইসকনের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক কৃষ্ণা বালার সাহায্য এবং দীর্ঘ জীবনযাপন পর্যবেক্ষণের পর তাঁর সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
কিন্তু কেন এই বয়সে এসে ধর্ম বদলের এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি? মূলত মৃত্যুর পর হিন্দু দর্শনের পঞ্চভূতে বিলীন হওয়ার ইচ্ছা এবং মরদেহের দাহকার্য সম্পন্ন করার আকুতির কারণেই এই পথ বেছে নিয়েছেন সমীর। তাঁর মা হিন্দু পরিবারের হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই হিন্দু ধর্মের নানা আচার-অনুষ্ঠান ও প্রথার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। পুরনো ধর্মে কবর দেওয়ার প্রথা থাকায় নিজের অন্তিম ইচ্ছা পূরণের জন্যই শেষমেশ এই বড় পদক্ষেপ করেন ৪৬ বছর বয়সি এই আইটি কর্মী।