সমুদ্রের নীচে অদৃশ্য প্রহরী! ২০২৬-এর মেগা পরীক্ষায় ভারতের মহাশক্তিধর পারমাণবিক সাবমেরিন

ভারতের কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে নৌবাহিনীতে যুক্ত হতে চলেছে অরিহন্ত শ্রেণির চতুর্থ তথা শেষ পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন ‘আইএনএস অরিষুদন’। প্রায় সাত হাজার টন ডিসপ্লেসমেন্টের এই জলযানটিতে ৮০ শতাংশের বেশি দেশীয় প্রযুক্তি ও উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদনের আত্মনির্ভরতার বড় নিদর্শন। চলতি বছরের শেষের দিকেই এই সাবমেরিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে সমুদ্রের গভীরে ভারতের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
পারমাণবিক শক্তিচালিত হওয়ায় এই সাবমেরিন দীর্ঘ সময় ধরে জলের নিচে সম্পূর্ণ গোপনে অবস্থান করতে পারে, যা প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এতে প্রায় ৮৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার কমপ্যাক্ট নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর এবং কে-১৫ ‘সাগরিকা’ বা কে-৪ এসএলবিএম মিসাইল বহনের সক্ষমতা থাকতে পারে। স্থল ও আকাশপথের পাশাপাশি সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধ বা ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ ব্যবস্থাকে দুর্ভেদ্য করে তুলতে এই সাবমেরিনের সফল অপারেশন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।