চোখ কপালে তুলবে এই দৃশ্য! ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের বিলবোর্ড বিতর্ক গড়াল আদালতে, মেলেনি রক্ষাকবচ

কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিতর্কিত বিলবোর্ড খোলার ঘটনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যেহেতু হোর্ডিং ইতিমধ্যেই খুলে ফেলা হয়েছে, তাই নতুন করে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষার প্রয়োজন নেই। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরের ছাদ থেকে তৃণমূলের বিশালাকার সাইনবোর্ড খুলে ফেলাকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুরসভা ও পুলিশের এই অভিযান চলাকালীন শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেমে পুলিশ এবং পুরকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে এই মামলার জরুরি শুনানির আর্জি জানান তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। তিনি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান যে পুরসভার কর্মীরা বলপূর্বক ওই বিলবোর্ড ভেঙে ফেলেছেন। উভয় পক্ষের আইনি যুক্তিতর্ক শোনার পর আদালত এই মুহূর্তে কোনো আইনি সুরক্ষা দিতে অস্বীকার করে। উল্লেখ্য, ক্যামাক স্ট্রিটের তিন হাজার বর্গফুটের এই অফিস থেকেই মূলত দলীয় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হতো। ঘটনার দিন পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ অন্যান্য নেতারা সিঁড়িতে শুয়ে পড়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পর এই বিতর্কে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।