ফুল মার্কস পেলে ফাঁসের ফাঁস! প্রশ্নপত্র কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে

দেশজুড়ে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ও স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই মহারাষ্ট্র পাবলিক সার্ভিস কমিশন (এমপিএসসি)-এর ড্রাগ ইন্সপেক্টর নিয়োগ পরীক্ষায় এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র পেয়ে যাওয়া পরীক্ষার্থী ঋতুজা পাতিলকে পূর্ণ নম্বর না পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কম নম্বর পাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, যাতে কারও মনে কোনো সন্দেহ না জাগে। গত ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার দু’দিন আগে ২০ মার্চ ঋতুজার হাতে প্রশ্নপত্র পৌঁছে যায়। তদন্তকারীদের হাতে আসা অভিযুক্তের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট অনুযায়ী, ২৯৪টি প্রশ্নের মধ্যে ৭৭টি প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছিল। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় কোচিং সেন্টারের মালিক ও তিনজন কর্মী জড়িত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রশ্নপত্র কেনার জন্য ৫ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছিল নাসিকের একটি ফ্ল্যাটে। প্রেমিক টাকা দিতে অস্বীকত্ব জানালে পেশায় শিক্ষক বাবার কাছ থেকে সেই টাকা সংগ্রহ করেন ঋতুজা। শেষ পর্যন্ত মেধা তালিকায় সপ্তম স্থান অধিকার করেন তিনি। এদিকে, দেশের পুরো পরীক্ষাব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে সম্প্রতি গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স সাধারণ মানুষ, পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছে। একের পর এক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর এই টাস্ক ফোর্সের কার্যক্রম নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।