অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে এনআরসি অবশ্যম্ভাবী! নাগরিকত্ব নিয়ে সরাসরি কী বার্তা দিলেন খাদ্যমন্ত্রী?

শুক্রবার বিষ্ণুপুরের রাধানগরে মতুয়া ভক্তদের সংবর্ধনা সভায় যোগ দিয়ে রাজ্যের খাদ্য ও সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আজ হোক বা কাল দেশে এনআরসি কার্যকর হবেই। বাংলাদেশ থেকে আগত শরণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ১৯৫২ সালের পর ভারতে আসা ব্যক্তিরা যেন সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের মাধ্যমে দ্রুত নাগরিকত্বের আবেদন করেন। মন্ত্রী মতুয়া সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই বিজেপি সরকার এই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। তাই অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীদের এক না করে, সমস্ত মতুয়াদের সিএএর আওতায় নথিভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানুষদেরও বিজেপিকে সমর্থনের অনুরোধ করে তিনি দাবি করেন, একমাত্র বিজেপিই উদ্বাস্তু হিন্দুদের দুর্দশা লাঘব করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রাজ্যের বন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামি এবং বিষ্ণুপুরের বিধায়ক শুক্লা চট্টোপাধ্যায়সহ অন্যান্য নেতৃত্ব মতুয়া সমাজের উন্নয়নের ওপর জোর দেন। মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া আরও বলেন, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কমেই সন্তুষ্ট হলেও তাঁদের ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষিত করে তুলতে হবে। অর্থনৈতিক অনটনের কারণে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট না হয়, সেদিকে সমাজকে সজাগ থাকতে হবে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি কংগ্রেসের সমালোচনা করেন এবং বলেন, দীর্ঘদিনের সেই ক্ষত দূর করতে বিজেপি সরকার কাজ করে চলেছে। অনুষ্ঠানে মতুয়া সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।