‘বাংলায় এসব চলবে না’: ছাত্রের তিলক মোছায় কড়া পদক্ষেপ, বরখাস্ত শিক্ষক

‘বাংলায় এসব চলবে না’: ছাত্রের তিলক মোছায় কড়া পদক্ষেপ, বরখাস্ত শিক্ষক

কলকাতার একটি মিশনারি স্কুলে পড়ুয়ার কপাল থেকে চন্দনের তিলক মুছে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, কপালে তিলক পরার কারণে ওই ছাত্রকে দীর্ঘদিন ধরে হেনস্থা করা হতো এবং মুখ ধুয়ে তিলক মুছে ফেলার জন্য চাপ দেওয়া হতো। বিষয়টি ওই ছাত্র নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করার পর ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়।

ঘটনাটি নজরে আসার পর প্রশাসন ও শিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। শুক্রবার কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, “বাংলায় এসব চলবে না।” অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল কর্তৃপক্ষ বরখাস্ত করেছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশকে এফআইআর (FIR) দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই প্রেস কনফারেন্সে সরকারি কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নিয়মাবলী নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকাশ ভবনে কর্মরত এক মহিলা সরকারি কর্মী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফর নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় তাঁকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সরকারি চাকরির নিয়ম ভেঙে সরকারের নীতি বা কাজের প্রকাশ্য সমালোচনা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের জন্য সার্ভিস রুল মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর আগে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালও নির্দেশিকা জারি করে সরকারি কর্মীদের প্রকাশ্য সমালোচনা ও অননুমোদিত যোগাযোগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *