মৃত্যুর পর আপনার প্রিয়জনের আধার বা প্যান কার্ডের কী হবে? জেনে নিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সরকারি নিয়ম!

মৃত্যুর পর আপনার প্রিয়জনের আধার বা প্যান কার্ডের কী হবে? জেনে নিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সরকারি নিয়ম!

আধার, ভোটার, প্যান বা পাসপোর্ট—প্রতিটি সরকারি পরিচয়পত্রই ভারতের নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন ও আর্থিক লেনদেনের মূল ভিত্তি। তবে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর এই সংবেদনশীল নথিগুলির অপব্যবহার রুখতে নির্দিষ্ট সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। মূলত জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের তথ্য আধারের সাথে যুক্ত থাকায় ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু হলেই সেই আধার নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। অন্যদিকে, ভোট জালিয়াতি ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের কাছে ‘ফর্ম ৭’ জমা দিয়ে মৃত ব্যক্তির নাম স্থায়ীভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

প্যান কার্ড এবং পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন ও সতর্কতামূলক। মৃত ব্যক্তির বকেয়া আয়কর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা সম্পত্তির আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্যান কার্ড সচল রাখা প্রয়োজন। সমস্ত আর্থিক দেনাপাওনা মেটানোর পর আইনি উত্তরাধিকারীরা আয়কর বিভাগে আবেদন করে তা বাতিল করতে পারেন। অন্যদিকে, পাসপোর্টের জন্য আলাদা করে বাতিলের আবেদন করতে হয় না; নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যায়। এসব নিয়ম মানলে নথি সংক্রান্ত জালিয়াতি থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *