উপনির্বাচনের দামামা! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের
September 14, 20268:33 am

রাজ্য রাজনীতিতে ফের উপনির্বাচনের উত্তাপ! আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। হাইভোল্টেজ এই জোড়া কেন্দ্রের জন্য রবিবার দলীয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুযায়ী নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস।
একনজরে দেখে নিন এই উপনির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি তথ্য:
- ঘাসফুলের বাজি কারা? তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘোষণা অনুযায়ী, হাইপ্রোফাইল নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে ঘাসফুল প্রতীকে লড়বেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। অন্যদিকে, রেজিনগর কেন্দ্র থেকে দলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন রবিউল আলম চৌধুরী।
- ভোট ও গণনার দিনক্ষণ: নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে ভোটগণনা এবং চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হবে ৯ অক্টোবর।
- বিরোধীদের প্রার্থী তালিকা: শাসক দলের পাশাপাশি বিরোধীরাও কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে। কংগ্রেসের হয়ে রেজিনগরে লড়বেন মহম্মদ আবদুল্লাইল কাফি এবং নন্দীগ্রামে মিলন প্রধান। বামফ্রন্টের তরফে সিপিআই(এম) রেজিনগরে অ্যাডভোকেট সঈদ আসাদ আলিকে এবং সিপিআই নন্দীগ্রামে শান্তি গোপাল গিরিকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
- কেন এই উপনির্বাচন? রাজ্য রাজনীতির সাম্প্রতিক পালাবদল ও সমীকরণের জেরেই এই দুই আসনে ভোট অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং হুমায়ুন কবীরের বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগের কারণেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসন দুটি শূন্য হয়েছিল।
- তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই শাসক-বিরোধী বাকযুদ্ধ চরমে উঠেছে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রের উন্নয়ন ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সব পক্ষের মধ্যেই জোরদার তরজা চলছে।
আগামী ৬ অক্টোবরের এই ফলাফল রাজ্যের আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেদিকেই কৌতূহলী নজর গোটা রাজনৈতিক মহলের।