কাকলির নালিশে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, বারাসাত থানায় তলব কুণাল ঘোষকে

সামাজিক মাধ্যমে অপমানের অভিযোগে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কাকলির নালিশের ভিত্তিতে বারাসাত থানায় একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, তদন্তের স্বার্থে কুণাল ঘোষকে থানায় সশরীরে হাজির হওয়ার সমনও পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত কুণাল ঘোষের একটি সামাজিক মাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ওই পোস্টে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে আসাম্মান করা হয়। এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নবান্নে গিয়ে বৈঠক করেন কাকলি। বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসতেই প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং বারাসাত থানায় মামলা রুজু করা হয়।
পুরো বিষয়টিকে ‘বিচারাধীন’ বলে এড়িয়ে গেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি যেহেতু আইনি ধারায় এগোচ্ছে, তাই এই মুহূর্তে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। অন্যদিকে, কাকলির এই অভিযোগ ও নবান্ন বৈঠকের পর কুণাল ঘোষ আবারও সামাজিক মাধ্যমে পাল্টা বার্তা দিলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। তবে কুণালকে ঠিক কবে থানায় হাজির হতে হবে এবং এফআইআরে কোন কোন নির্দিষ্ট ধারা দেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের তোপ দাগার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের লিখিত অভিযোগ করেছিলেন তিনি, যার ফলে বাদল অধিবেশনে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড হতে হয়। এখন দেখার, পুলিশের পাঠানো সমনের প্রেক্ষিতে কুণাল ঘোষ পরবর্তী সময়ে কী আইনি বা রাজনৈতিক পথ অবলম্বন করেন।