জোড়াফুল কার? উপনির্বাচনের মুখে আজই নির্বাচন কমিশনের বড় রায়ের সম্ভাবনা!

জোড়াফুল কার? উপনির্বাচনের মুখে আজই নির্বাচন কমিশনের বড় রায়ের সম্ভাবনা!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রতীক ‘জোড়াফুল’ কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা তুঙ্গে। ১৬ সেপ্টেম্বর দুই শিবিরই নির্বাচন কমিশনে নিজেদের স্বপক্ষে যাবতীয় চূড়ান্ত নথি জমা দেওয়ার পর আজ, বৃহস্পতিবারই কমিশন একটি অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত জানাতে পারে।

লড়াইয়ের মূল প্রেক্ষাপট

  • মনোনয়ন শেষ, কাটেনি প্রতীক সংশয়: দুটি কেন্দ্রে সব দল ও গোষ্ঠী প্রার্থী ঘোষণা করলেও মূল লড়াই প্রতীক নিয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়—দুই পক্ষই নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে ঘাসফুল প্রতীক পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে।
  • সাংবিধানিক সংকটের দাবি: গত ২২ জুন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। তাঁর যুক্তি, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে আগের কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও দলের সংবিধানের ২০ নম্বর ধারা মেনে নতুন কমিটি গঠিত হয়নি।
  • মমতা শিবিরের পাল্টা যুক্তি: মমতাপন্থী তৃণমূল নেতৃত্ব এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, বিরোধী গোষ্ঠী একটি পুরনো বাতিল সংবিধানের ওপর ভরসা করছে। দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ককে নিয়ম মেনেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সদস্য করা হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই সংগঠন চলছে।

মাঠের রাজনীতি ও আইনি টানাফোড়েন

উপনির্বাচনের আবহেই বহরমপুরের জেলা তৃণমূল কার্যালয় দখলে নিয়েছে ঋতব্রত শিবির এবং সেখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যানার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের নালিশ জানিয়ে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছে মমতাপন্থীরা। শেষ পর্যন্ত কমিশন কোন পক্ষকে অন্তর্বর্তী মান্যতা দিয়ে জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর সব মহলের।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *