জোড়াফুল কার? উপনির্বাচনের আগেই দিল্লিতে মেগা ধামাকা, প্রতীক কি ফ্রিজ হবে?
September 18, 202610:58 am

বাংলার রাজনীতিতে নজিরবিহীন তোলপাড়! তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় দলীয় প্রতীক ‘জোড়াফুল’ এবং দলের আসল নাম কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে মেগা সিদ্ধান্ত হতে চলেছে নয়া দিল্লিতে। দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী শিবির এবং রাজ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল—উভয় পক্ষই নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দরবারে অবস্থান করছে।
ঘটনার মূল পটভূমি ও বর্তমান আপডেট:
- নির্বাচন সদনে ফয়সালা: আজ নয়া দিল্লির নির্বাচন সদনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছে। গত শনিবার দু’পক্ষের নথি পর্যালোচনার পর ম্যারাথন শুনানি শেষ হয়েছিল। আজই এ বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত জানাতে পারে কমিশন।
- সংকটের সূত্রপাত: বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় বিপর্যয়ের পর থেকেই দলের অন্দরে ফাটল চওড়া হয়। জয়ী বিধায়কদের এক বড় অংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন সমীকরণ তৈরি করেন। এরপর থেকেই নাম ও প্রতীক নিয়ে পাল্টাপাল্টি লড়াই শুরু।
- উপনির্বাচনের চাপ: সামনেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভার মেগা উপনির্বাচন (ভোট ৬ অক্টোবর, গণনা ৯ অক্টোবর)। দুই শিবিরই জোড়াফুল চিহ্নে নিজেদের প্রার্থী দাঁড় করাতে চাওয়ায় কমিশনের সিদ্ধান্ত এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রতীক ‘ফ্রিজ’ হওয়ার সম্ভাবনা: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগে আইনি জটিলতা না কাটলে কমিশন জোড়াফুল প্রতীকটি সাময়িকভাবে স্থগিত (Freeze) রেখে দুই পক্ষকে দুটি ভিন্ন নাম ও সাময়িক প্রতীক ব্যবহারের নির্দেশ দিতে পারে।
এখন গোটা বাংলা ও রাজনৈতিক মহলের নজর নয়া দিল্লির নির্বাচন সদনের দিকে। আজ বিকেলের বৈঠকের পরই স্পষ্ট হবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় প্রতীক ও পতাকার রাশ শেষ পর্যন্ত কার হাতে যাচ্ছে।