পুজোর অনুদানে বড় ধাক্কা! প্যান-ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে হাতছাড়া হবে সরকারি টাকা?

পুজোর অনুদানে বড় ধাক্কা! প্যান-ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে হাতছাড়া হবে সরকারি টাকা?

কলকাতা: আসন্ন দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম জটিলতা। গত বছর পর্যন্ত নিয়ম খানিকটা শিথিল থাককলকাতা: আসন্ন দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম জটিলতা। গত বছর পর্যন্ত নিয়ম খানিকটা শিথিল থাকলেও, এ বার থেকে আর কোনও ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা পাঠাবে না রাজ্য। সরকারি সাহায্য পেতে হলে পুজো কমিটির নিজস্ব নামে প্যান কার্ড (PAN Card) এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের কয়েক হাজার পুজো কমিটি এখন মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।

ঠিক কী পরিবর্তন হয়েছে নিয়মে? গত বছর পর্যন্ত যেসব পুজো কমিটির নিজস্ব রেজিস্ট্রেশন বা অ্যাকাউন্ট ছিল না, তারা সভাপতি বা সম্পাদকের মতো পদাধিকারীদের প্যান নম্বর ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে অনুদানের টাকা পেত। কিন্তু এ বার সেই সুযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ। মহেশতলা বা বেহালার একাধিক পুজোর মতো বহু ঐতিহ্যবাহী ও পুরনো পুজো কমিটি আবেদন করতে গিয়ে জানতে পেরেছে—কমিটির নিজস্ব প্যান কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়া সরকারি অনুদান দেওয়া সম্ভব নয়। এত কম সময়ের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা কার্যত আসাম্ভব বলেই মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

স্বচ্ছতার সপক্ষে দুর্গাপুজো ফোরাম ছোট ও মোটামুটি বাজেটের ক্লাবগুলি চিন্তায় পড়লেও সরকারের এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ দুর্গাপুজো সমন্বয় সমিতি’। তাঁদের বক্তব্য, পুজোয় প্রচুর আর্থিক লেনদেন হয় এবং সরকারি বা বেসরকারি বিজ্ঞাপনের টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নেওয়া অনুচিত। অনুদান কোনও ব্যক্তিকে নয়, সংগঠনকে দেওয়া হয়। তাই আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিটির নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক হওয়াই যুক্তিযুক্ত।

অনুদানের নতুন অঙ্ক ও চিন্তা চলতি বছর পুজো কমিটি পিছু ১ লক্ষ টাকা অনুদান, বিদ্যুৎ বিলে ১০০ শতাংশ ছাড় এবং দমকলের ফি মকুবের ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের একাধিক বড় পুজো স্বইচ্ছায় অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও, শহরতলি ও গ্রামীণ এলাকার ছোট পুজো কমিটিগুলি নিজস্ব অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত জটে চরম উদ্বেগে রয়েছে। পুজোর দিন যত এগিয়ে আসছে, এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি নিয়ে পুজো কমিটিগুলির চিন্তার পারদ ততই চড়ছে।লেও, এ বার থেকে আর কোনও ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা পাঠাবে না রাজ্য। সরকারি সাহায্য পেতে হলে পুজো কমিটির নিজস্ব নামে প্যান কার্ড (PAN Card) এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের কয়েক হাজার পুজো কমিটি এখন মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।

ঠিক কী পরিবর্তন হয়েছে নিয়মে? গত বছর পর্যন্ত যেসব পুজো কমিটির নিজস্ব রেজিস্ট্রেশন বা অ্যাকাউন্ট ছিল না, তারা সভাপতি বা সম্পাদকের মতো পদাধিকারীদের প্যান নম্বর ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে অনুদানের টাকা পেত। কিন্তু এ বার সেই সুযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ। মহেশতলা বা বেহালার একাধিক পুজোর মতো বহু ঐতিহ্যবাহী ও পুরনো পুজো কমিটি আবেদন করতে গিয়ে জানতে পেরেছে—কমিটির নিজস্ব প্যান কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়া সরকারি অনুদান দেওয়া সম্ভব নয়। এত কম সময়ের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা কার্যত আসাম্ভব বলেই মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

স্বচ্ছতার সপক্ষে দুর্গাপুজো ফোরাম ছোট ও মোটামুটি বাজেটের ক্লাবগুলি চিন্তায় পড়লেও সরকারের এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ দুর্গাপুজো সমন্বয় সমিতি’। তাঁদের বক্তব্য, পুজোয় প্রচুর আর্থিক লেনদেন হয় এবং সরকারি বা বেসরকারি বিজ্ঞাপনের টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নেওয়া অনুচিত। অনুদান কোনও ব্যক্তিকে নয়, সংগঠনকে দেওয়া হয়। তাই আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিটির নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক হওয়াই যুক্তিযুক্ত।

অনুদানের নতুন অঙ্ক ও চিন্তা চলতি বছর পুজো কমিটি পিছু ১ লক্ষ টাকা অনুদান, বিদ্যুৎ বিলে ১০০ শতাংশ ছাড় এবং দমকলের ফি মকুবের ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের একাধিক বড় পুজো স্বইচ্ছায় অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও, শহরতলি ও গ্রামীণ এলাকার ছোট পুজো কমিটিগুলি নিজস্ব অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত জটে চরম উদ্বেগে রয়েছে। পুজোর দিন যত এগিয়ে আসছে, এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি নিয়ে পুজো কমিটিগুলির চিন্তার পারদ ততই চড়ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *